অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান রেহানা পারভিনের হত্যার ঘটনা তদন্তে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ

  • 9:33 am - April 06, 2025
  • পঠিত হয়েছে:১২ বার
কুইন্সল্যান্ডের রেহানা পারভিনের হত্যার ঘটনা তদন্তে এএফপি

মেলবোর্ন ৬ এপ্রিল- অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ গত বছর বাংলাদেশে পাঁচ সন্তানের জননী কুইন্সল্যান্ডের রেহানা পারভিনের সন্দেহজনক হত্যাকাণ্ড তদন্ত করতে বাংলাদেশ গেছে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)-এর একজন মুখপাত্র জানান, “বাংলাদেশে একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের সন্দেহজনক হত্যাকাণ্ড” তদন্তের অংশ হিসেবে নভেম্বরে পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। এই তদন্ত কমনওয়েলথ ক্রিমিনাল কোডের একটি ধারার অধীনেই চলছে, যা অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কোনো নাগরিক বা বাসিন্দার হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।

পাঁচ সন্তানের জননী রেহানা পারভিন গত বছরের ৬ জুন বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশে পৌঁছে এক রাত নিজের বাবা-মায়ের বাড়িতে কাটানোর পর শ্বশুরবাড়িতে যান। রেহানা পারভিনের মা তিন দিন পর তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশে জানান। রেহানা পারভিনের স্বামী আওলাদ হোসেন ২৯ জুন বাংলাদেশে পৌঁছান এবং ১৩ জুলাই অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। ওই সময় তদন্তে নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আশরাফুল আলম জানান, রেহানা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার এক সপ্তাহ পর তার স্বামী আওলাদ হোসেন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। 

সুপারিন্টেন্ডেন্ট আলম গত অক্টোবরে নিউজওয়্যারকে বলেন, পুলিশ আওলাদ হোসেনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে এবং তাকে কুইন্সল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। তবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এমন প্রক্রিয়া রয়েছে, যা বাংলাদেশ ইতিপূর্বে ব্যবহার করেছে।

রেহানা পারভিনের নিখোঁজ-এর বিষয়ে স্বীকার করার পর গত বছর তার স্বামীর বোন পাপিয়া আক্তার এবং গ্রামের এক ‘চাচা’ আমজাদ হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ১২ সেপ্টেম্বর সাভারের আশুলিয়ার একটি গ্রামে রেহানা পারভিনের নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেখানে তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিয়ের পর এই দম্পতি অস্ট্রেলিয়া চলে আসেন এবং নাগরিকত্ব নিয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁরা ব্রিসবেন ও কুইন্সল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় থেকেছেন। এবিসি নিউজের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, এই দম্পতি নিজেদের মধ্যেই থাকতেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে তারা খুব মেলামেশা করতেন না। রেহানা-আওলাদ দম্পতির বেশ কিছু প্রপার্টি কুইন্সল্যান্ডে রয়েছে। 

এএফপি-এর তদন্ত এখনও চলছে বলে জানা গেছে। এএফপি-এর একজন মুখপাত্র বলেন, “উপযুক্ত সময়ে” এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করা হবে।

এই শাখার আরও খবর

আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…

মুন্সীগঞ্জে হিন্দু নারী কবিরাজ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, প্রতিবেশী মীর হোসেন গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে হিন্দু নারী ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত কবিরাজ রেখা রাণী রায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিন…

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…

এশিয়ান কাপ শেষে ইরানে ফেরা নিয়ে শঙ্কায় নারী ফুটবলাররা, অস্ট্রেলিয়ায় সুরক্ষার দাবি জোরালো

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ: ২০২৬ নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইরানের নারী ফুটবল দলকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী, ইরানি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটি এবং খেলোয়াড়দের অধিকার…

তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের নতুন দফায় ‘ব্যাপক’ বিমান হামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরান ও গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে নতুন দফা ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী…

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, হামলা স্থগিতের ঘোষণা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের অন্য কোনো দেশে আগ্রাসন চালানোর…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au