মিটার-সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকের নামে এলো ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের নতুন মিটার স্থাপন কিংবা সংযোগ দেওয়ার আগেই এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে। আগস্ট মাসের ওই বিল দেখে বিস্মিত হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- লালমনিরহাটে মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার শিক্ষক আরিফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার, ২১ আগস্ট রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজনের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
নিহত আরিফুল ইসলাম লালমনিরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইনস্ট্রাক্টর ছিলেন। তিনি ৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণেই তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হতে হয়।
গত ১ আগস্ট কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আরিফুল ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় গুরুতর আহত হলে তাঁকে প্রথমে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার তিনি মারা যান।
আরিফুলের ওপর হামলার ঘটনায় এরই মধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সম্প্রতি স্থানীয় মোগলহাট টেম্পু স্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধনও করেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আরিফুলকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছিল।
শুক্রবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরিফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। একপর্যায়ে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদ আহম্মেদ জানান, শিক্ষক আরিফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে চারটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি সাদ আহম্মেদ আরও বলেন, শিক্ষক আরিফুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে হামলার সঙ্গে যারা জড়িত বলে প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মৃত্যুর পর বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে স্থানীয়রা শিক্ষক আরিফুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au