হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ২৪ আগষ্ট- ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দর খোলাবাজারে রেকর্ড পরিমাণ কমেছে। তেহরানের মুক্তবাজারে প্রথমবারের মতো এক মার্কিন ডলারের দাম ২০ লাখ রিয়াল ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক আলোচনা থমকে যাওয়ার মধ্যেই রিয়ালের এই বড় দরপতন হয়েছে।
মুদ্রাবাজারের বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের মুক্তবাজারে এক মার্কিন ডলারের দাম ২ লাখ তুমানের বেশি হয়েছে। ইরানে ১ তুমান সমান ১০ রিয়াল। ফলে এক ডলারের দাম ২০ লাখ রিয়ালের ওপরে উঠে গেছে।
বার্তা সংস্থা শাফাকের প্রতিবেদনেও রিয়ালের এই রেকর্ড দরপতনের কথা জানানো হয়েছে। আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রকাশিত বাজারদর অনুযায়ী, এর আগের সপ্তাহের শুরুতে এক ডলারের দাম ছিল প্রায় ১৮ লাখ ৬৫ হাজার রিয়াল। অর্থাৎ এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ডলারের দাম রিয়ালের বিপরীতে ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
রিয়ালের দরপতনের পেছনে বিদেশি মুদ্রার বাড়তি চাহিদার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও অর্থনৈতিক চাপ আসার আশঙ্কাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের তেল রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় দেশটির মুদ্রাবাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে।
ইরানের মুক্তবাজারের মুদ্রার দর দেশটির অর্থনীতির পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে দেশটির সরকারি মুদ্রাবাজারগুলো সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকায় মুক্তবাজারের দর সব সময় প্রকৃত বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সও ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের খবর জানিয়েছে।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর রিয়ালের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দেশটির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে বড় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ।
ওই সমঝোতা স্মারকে চূড়ান্ত একটি চুক্তির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। এমন চুক্তি হলে ইরানের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দেশটির তেল রপ্তানির সুযোগ বাড়ানো এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারত।
তবে সেই পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হয়ে বরং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে এবং রিয়ালের মূল্য আরও কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au