বিশ্ব

নাইন-ইলেভেনের পর বদলে যায় আমেরিকা ও মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক

  • 9:28 pm - September 11, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১২০ বার
সেপ্টম্বের ১১, ২০০১ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সাউথ টাওয়ারে দ্বিতীয় বিমান আঘাত করার আগের মুহূর্তের ছবি

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে মাত্র ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিমান আঘাত হানে। একই দিনে আরও দুটি বিমান ছিনতাই করে হামলা চালানো হয় ওয়াশিংটনের পেন্টাগন ও অন্য একটি স্থাপনার দিকে। প্রাণ হারান প্রায় ৩ হাজার মানুষ। সেই দিনটি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস নয়, বদলে দেয় বিশ্ব রাজনীতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক।

‘নাইন-ইলেভেন’ শব্দ দুটি গত ২৫ বছরে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ও ভাষায় এতটাই পরিচিত হয়ে উঠেছে যে এটি উচ্চারণ করলেই মানুষের মনে ভেসে ওঠে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ছবি।

সেদিনের হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আল-কায়েদা ও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করে। হামলার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ঘোষিত ‘ওয়ার অন টেরর’ বা ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’-এর প্রথম বড় সামরিক অভিযান ছিল এটি।

এরপর ২০০৩ সালে ইরাকে আগ্রাসন এবং ২০১১ সালে লিবিয়ায় সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সেসময়কার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ যখন জানতে পারেন যে নিউ ইয়র্কে টুইন টাওয়ারে দুইটি বিমান হামলা হয়েছে, তখন তিনি একটি স্কুলে শিশুদের সাথে একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন; ওই মুহূর্তে মি. বুশকে বলা হয়েছিল ‘আমেরিকা ইজ আন্ডার অ্যাটাক’। ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে আমেরিকান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৬৭ নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর টাওয়ারে আঘাত করে।

প্রথমে এটিকে বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা বলে মনে করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে থাকা মানুষ ও সংবাদমাধ্যমও তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেনি, এটি পরিকল্পিত হামলা।

কিন্তু মাত্র ১৭ মিনিট পর আরেকটি বোয়িং ৭৬৭ দক্ষিণ টাওয়ারে আঘাত করলে পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যায়। টেলিভিশন ক্যামেরায় দ্বিতীয় বিমানটির আঘাতের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় মুহূর্তেই পুরো বিশ্ব জেনে যায়, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হামলা।

দুটি বিমানই বোস্টন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশে উড্ডয়ন করেছিল। পরে জানা যায়, প্রতিটি বিমানে পাঁচজন করে ছিনতাইকারী ছিল। উড্ডয়নের পর তারা বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিউইয়র্কের দিকে ঘুরিয়ে দেয়।

একই সময়ে আরও দুটি বিমান ছিনতাই করা হয়। এর একটি পেন্টাগনে আঘাত হানে। অন্যটি ওয়াশিংটনের দিকে যাওয়ার পথে পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়।

চারটি বিমানে থাকা যাত্রী ও ক্রুসহ হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।

পার্ল হারবারের পর সবচেয়ে বড় আঘাত

নাইন-ইলেভেনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে বড় ধরনের হামলার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ১৯৪১ সালের পার্ল হারবার হামলা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি বিমানবাহিনী হাওয়াইয়ের মার্কিন নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল।

তবে দুই ঘটনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। পার্ল হারবার ছিল যুদ্ধের অংশ এবং লক্ষ্য ছিল একটি সামরিক ঘাঁটি। অন্যদিকে নাইন-ইলেভেনের হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল এমন স্থাপনা, যেখানে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ কাজ করতেন।

মৃতের সংখ্যার দিক থেকেও নাইন-ইলেভেন ছিল ভয়াবহ। পার্ল হারবারে প্রায় আড়াই হাজার মানুষ নিহত হলেও ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় নিহত হন প্রায় ৩ হাজার মানুষ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেটিই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রথম হামলা। ছবি: সংগৃহীত

হামলার নয় দিন পর, ২০ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আনুষ্ঠানিকভাবে আল-কায়েদা ও ওসামা বিন লাদেনকে হামলার জন্য দায়ী করেন।

সেদিনই তিনি ‘ওয়ার অন টেরর’ বা ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’-এর ঘোষণা দেন।

বুশ বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ শুধু আল-কায়েদার বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিশ্বের যেসব সন্ত্রাসী সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বের অন্য দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, এই যুদ্ধে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে হবে। তার ভাষায়, ‘আপনি হয় আমাদের সঙ্গে, নয় তাদের সঙ্গে।’

যদিও মার্কিন প্রশাসন শুরু থেকেই বলে এসেছে, এই যুদ্ধ কোনো ধর্ম বা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, বরং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। বাস্তবে নাইন-ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ও ইসলামবিদ্বেষী হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

নাইন-ইলেভেনের পরপরই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও সংবাদমাধ্যম আল-কায়েদার সংশ্লিষ্টতার কথা সামনে আনে।

হামলার পরপরই ওসামা বিন লাদেনকে মূল সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী হিসেবে ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট বুশ। ছবি: সংগৃহীত

ওসামা বিন লাদেন এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে কেনিয়া ও তানজানিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলার ঘটনায় আল-কায়েদাকে দায়ী করা হয়েছিল। ২০০০ সালে ইয়েমেনের এডেন বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ইউএসএস কোল-এ হামলার সঙ্গেও সংগঠনটির নাম আসে।

নাইন-ইলেভেনের পরিকল্পনার মূল রূপকার হিসেবে কুয়েতে জন্ম নেওয়া খালিদ শেখ মোহাম্মদের নাম পরে সামনে আসে। তিনি হামলার পরিকল্পনা এবং ছিনতাইকারীদের নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে জানা যায়।

মোট ১৯ জন ছিনতাইকারী চারটি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৫ জন ছিলেন সৌদি নাগরিক। দুজন সংযুক্ত আরব আমিরাতের, একজন মিসরের এবং একজন লেবাননের নাগরিক ছিলেন।

হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে থাকা আল-কায়েদা নেতাদের হস্তান্তরের দাবি জানায়। সে সময় আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকা তালেবান নেতৃত্ব ওসামা বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এরপর ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।

‘অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম’ নামে ওই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তানে আল-কায়েদার ঘাঁটি ধ্বংস করা এবং সংগঠনটির নেতাদের আটক বা নির্মূল করা।

দুই বছর পর ২০০৩ সালে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে ইরাকেও সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

এই দুই যুদ্ধ মুসলিম বিশ্বের বড় একটি অংশে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করে। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আগে থেকেই অসন্তোষ ছিল। আফগানিস্তান ও ইরাকে সামরিক অভিযান সেই ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়।

পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ হয়। পরে আফগানিস্তানে যুদ্ধ শুরু হলে তুরস্ক, মিসর, ইয়েমেন ও পাকিস্তানের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, ইতালি ও বেলজিয়ামেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দেখা যায়।

মুসলিম বিশ্বে আমেরিকাবিরোধী মনোভাব

নাইন-ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতেই প্রভাব ফেলেনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।

‘লং লিভ ওসামা’ ব্যানার হাতে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী মিছিল; ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০০১। ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের পর অনেক মুসলিমের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাব আরও তীব্র হয়। পরবর্তী সময়ে লিবিয়ায় ২০১১ সালের সামরিক অভিযানও সেই মনোভাবকে আরও উসকে দেয়।

তবে সম্পর্কের এই অবনতির প্রভাব ছিল দুই দিকেই।

নাইন-ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ও ইসলামবিদ্বেষী হামলা দ্রুত বেড়ে যায়। হামলার পরদিন থেকেই দেশটির বিভিন্ন স্থানে মুসলিম ও মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত মানুষের ওপর হামলা ও হয়রানির খবর আসতে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের আগেও ইসলামবিদ্বেষী ঘৃণাজনিত অপরাধ ছিল। কিন্তু নাইন-ইলেভেনের পর এর মাত্রা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী ঘৃণাজনিত অপরাধের ঘটনা ছিল ২৮টি। ১৯৯৯ সালে ছিল ৩২টি।

কিন্তু ২০০১ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১টিতে। এর ৮০ শতাংশের বেশি ঘটনা ঘটে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর।

এরপরের বছরগুলোতেও এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় কোনো বছরই ইসলামবিদ্বেষী ঘৃণাজনিত অপরাধের সংখ্যা ১০০-এর নিচে নামেনি।

৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তিতে নিহত দমকল কর্মী ও পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রস্তুতি। ছবি: সংগৃহীত

নাইন-ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক আমূল বদলে যায়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সীমান্ত, গোয়েন্দা নজরদারি থেকে সামরিক নীতি, সব ক্ষেত্রেই এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।

একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের বড় একটি অংশের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিতেও গভীর পরিবর্তন আসে।

একটি সন্ত্রাসী হামলা মোকাবিলায় নেওয়া সামরিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ পরবর্তী দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে। ফলে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলার তারিখ নয়, আধুনিক বিশ্বের রাজনীতি ও মুসলিম-আমেরিকান সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবেও ইতিহাসে থেকে গেছে।

এই শাখার আরও খবর

সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে হামলা, মারধর

ঢাকায় পুরানা পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সুনামগঞ্জে নারী বাউলশিল্পীদের গান গাইতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন…

হুজুরদের ভয়ে শেষ পর্যন্ত দেশ ছাড়লেন যৌন নিপীড়নের শিকার শিশুর বাবা শাহজালাল রুমি

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী মেয়েশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা বাবা বডিবিল্ডার শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি জানল টিআইবি

সরকারের অনুমতি পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনে পুলিশ ক্রসফায়ার করবে বলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি…

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক, সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে মিসর

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও সামরিক উত্তেজনা কমাতে ইরানের রাজধানী তেহরানে বৈঠক করেছেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে…

রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলার দাবি হুতিদের, পাল্টা অভিযানে সৌদি জোট

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাম্পিং স্টেশনগুলোতে ড্রোন হামলার দাবি…

সুনামগঞ্জে পুলিশের উপস্থিতিতে কৃপেশ রায়ের বাড়িতে মব, পরে গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হিন্দু যুবক কৃপেশ রায়ের বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতিতে একদল লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করেছে। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au