একুরহুলেনি এলাকায় গত দুই মাসে ১০ নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলীয় একুরহুলেনি এলাকায় গত দুই মাসে ১০ নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তেম্বিসার ভুসিমুসি এলাকায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর এ সংখ্যা ১০-এ দাঁড়িয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সর্বশেষ মরদেহটি একটি কবরস্থানের কাছে পাওয়া যায়। গত জুলাই থেকে একুরহুলেনির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এখন পর্যন্ত এসব হত্যাকাণ্ড একই ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ কোনো চক্রের সঙ্গে জড়িত, এমন নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ এবং হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
পরপর এত নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। দশম নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার নারীদের হত্যা অব্যাহত থাকা দেশটির পুরুষদের জন্য লজ্জার।
এর আগে এসব হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো পাথরই অক্ষত রাখা হবে না বলে জানিয়েছিলেন সিরিল রামাফোসা। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে একুরহুলেনির বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার হওয়া নারীদের মরদেহের ঘটনাগুলো একই ধারাবাহিকতার অংশ কি না, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ মেলেনি। প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।