গাজীপুরে গাড়ি চাপায় সন্তানসহ তপন চন্দ্র দাসের মৃত্যু
গাজীপুরের টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন তপন…
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানল, প্রশান্ত মহাসাগরে বাড়ছে হারিকেনের তৎপরতা, ভারতে কমেছে মৌসুমি বৃষ্টি। ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রভাব থাকার আশঙ্কা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার
প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা থেকে সৃষ্ট আবহাওয়াগত ঘটনা এল নিনো বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। এর প্রভাবে কোথাও খরা ও দাবানল তীব্র হচ্ছে, কোথাও বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় ও হারিকেনের তৎপরতা, আবার কোনো অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমে কৃষি উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের কয়েক মাস ধরে এল নিনো শক্তিশালী হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, বন্যা ও তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনো আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং এর প্রভাব ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হালনাগাদ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। তবে এর প্রভাব বিশ্বের সব অঞ্চলে এক রকম হবে না। কোন এলাকায় বৃষ্টি বাড়বে, কোথায় খরা দেখা দেবে কিংবা কোথায় তাপমাত্রা বাড়বে, তা স্থানীয় মৌসুমি পরিস্থিতি ও অন্যান্য জলবায়ুগত উপাদানের ওপরও নির্ভর করবে।
এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও সমুদ্রের মধ্যে তাপের আদান-প্রদান এবং বায়ুপ্রবাহের ধরনকে প্রভাবিত করে। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে বহু দূরের দেশগুলোর বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও ঝড়ের গতিপ্রকৃতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।
স্বাভাবিক অবস্থায় নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের কাছাকাছি বাণিজ্যবায়ু সাধারণত পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। এল নিনোর সময় এই বাতাস দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে উষ্ণ সমুদ্রের পানি পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চলাচলে পরিবর্তন ঘটে।
এল নিনো অনিয়মিত বিরতিতে ফিরে আসে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এ ঘটনা দেখা দিতে পারে এবং একটি পর্ব প্রায় ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। তবে এর জলবায়ুগত প্রভাব আরও দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হতে পারে।
চলতি এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যে যে পাঁচটি বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, সেগুলো হলো:
এল নিনোর প্রভাবে শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া তৈরি হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের মৌসুম চলছে। বিবিসির ২০ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। গত বছরের তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি।
দাবানলের কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে সুমাত্রা ও কালিমানতান অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ আগুন থেকে সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়াশার সংস্পর্শে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধোঁয়াশার কারণে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪০ হাজারের বেশি শিশু রয়েছে। এসব শিশুর অসুস্থতার মধ্যে কাশি থেকে শুরু করে ব্রঙ্কাইটিস ও নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর রোগও রয়েছে।
এল নিনোর কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও দীর্ঘ শুষ্ক সময় দাবানলের ঝুঁকি বাড়ালেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার পেছনে মানুষের কর্মকাণ্ড, বনভূমি পরিষ্কার এবং পিটভূমির ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ নয়, বন ও ভূমি ব্যবস্থাপনাও জরুরি।
এল নিনোর দ্বিতীয় বড় প্রভাব দেখা যাচ্ছে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে। এই অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা এবং বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে বাতাসের পরিবর্তন ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়ানোর অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ২২টি নামকরণ করা ঝড় এবং ১২টি হারিকেন তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ১০টিকে বড় ধরনের হারিকেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৌসুম শেষ হতে তখনও প্রায় দুই মাস বাকি থাকলেও ঝড়ের সংখ্যা একটি গড় মৌসুমের পুরো সময়ের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে হারিকেন পোলোকে দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অত্যন্ত উষ্ণ সমুদ্রের পানি থেকে শক্তি পেয়ে ঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ মাইল বা ২৮৫ কিলোমিটার বেগের দমকা হাওয়া তৈরি করেছিল বলে জানানো হয়েছে।
একই সময়ে পূর্ব ও মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে একাধিক হারিকেন সক্রিয় থাকার ঘটনাও নজরে এসেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে লওয়েল, কারিনা ও মেরি নামের তিনটি হারিকেন একই সময়ে সক্রিয় ছিল। এর আগে ২০১৫ সালে এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল।
তবে এল নিনো থাকলেই প্রতিটি ঝড় শক্তিশালী হবে, এমন নয়। সমুদ্রের তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাবেই একটি ঝড়ের শক্তি নির্ধারিত হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরে যখন হারিকেনের তৎপরতা বেড়েছে, তখন আটলান্টিক মহাসাগরে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র। এল নিনোর প্রভাবে উত্তর আটলান্টিকে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরে বাতাসের গতির পার্থক্য বা ‘উইন্ড শিয়ার’ বেড়ে যেতে পারে। এতে ঝড়ের সংগঠিত হওয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং নতুন হারিকেন তৈরির অনুকূল পরিবেশ কমে আসে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মৌসুমে আটলান্টিকে তুলনামূলকভাবে কম ঝড় তৈরি হয়েছে। সেখানে ইসাইয়াস নামের একটি হারিকেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা প্যানহ্যান্ডেল ও আলাবামা অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল। প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ মৌসুমে আটটি ক্রান্তীয় ঝড়ের কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণের যুগে, অর্থাৎ ১৯৬০-এর দশক থেকে হিসাব করা রেকর্ড অনুযায়ী, এ বছর প্রথম হারিকেন তৈরির সময় ছিল সবচেয়ে দেরিতে। এর আগে ২০০২ ও ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হারিকেন তৈরি না হওয়ার রেকর্ড ছিল।
সাধারণত মৌসুমের ওই পর্যায়ে আটলান্টিকে গড়ে ১০টি নামকরণ করা ঝড়, পাঁচটি হারিকেন এবং দুটি বড় হারিকেন তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু এল নিনোর কারণে বাতাসের পরিবর্তন ঝড়ের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
এতে বোঝা যায়, এল নিনোর প্রভাব সব মহাসাগরে একই রকম নয়। একটি অঞ্চলে এটি ঘূর্ণিঝড়ের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে, অন্য অঞ্চলে আবার ঝড়ের বিকাশ কমিয়ে দিতে পারে।
এল নিনোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব দেখা যাচ্ছে ভারতে। দেশটির কৃষি ও পানিসম্পদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবার গড়ের তুলনায় কম হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মৌসুমি বৃষ্টিপাত গড়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম ছিল। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ এই ঘাটতিকে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক সীমার মধ্যে বিবেচনা করলেও বিভিন্ন অঞ্চলের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
মধ্য ভারতে বৃষ্টিপাত প্রায় স্বাভাবিক থাকলেও পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গড়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। এসব অঞ্চলের কিছু এলাকাকে চরম খরাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতেও গড়ের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ কম বৃষ্টিপাতের কথা জানিয়েছে প্রতিবেদনটি।
শুধু বৃষ্টির মোট পরিমাণ কমে যাওয়াই সমস্যা নয়, বৃষ্টিপাতের সময় ও ধারাবাহিকতাও বদলে গেছে। যেসব অঞ্চলে মোট বৃষ্টির পরিমাণ গড়ের কাছাকাছি ছিল, সেখানেও দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ার পর হঠাৎ অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে।
এ ধরনের আবহাওয়ায় কৃষকদের জন্য ফসলের বপন, সেচ এবং ফসল কাটার সময় নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ খরা ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত করতে পারে, আবার অল্প সময়ে অতিবৃষ্টি হলে জমি জলাবদ্ধ হয়ে ফসলের ক্ষতি হতে পারে।
তবে ভারতের বৃষ্টিপাতের ওপর এল নিনো ছাড়াও অন্যান্য আবহাওয়াগত প্রভাব রয়েছে। তাই মৌসুমি বৃষ্টির ঘাটতির পুরো কারণ হিসেবে শুধু এল নিনোকে দায়ী করা যায় না।
প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে চীন ও জাপানেও ঘূর্ণিঝড়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়সাক ও দুজুয়ানের মতো ঝড় সাম্প্রতিক সময়ে এসব অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটিয়েছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চলতি মৌসুমে ১০টি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে। ১৯৬৬ সালের পর কোনো মৌসুমে এ সময় পর্যন্ত এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এল নিনোর সময় প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা বায়ুপ্রবাহের ধরনে পরিবর্তন আনে। এর ফলে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়গুলো সাধারণত জাপান ও পূর্ব চীন থেকে আরও পূর্বদিকে তৈরি হতে পারে। এতে ঝড়গুলো স্থলভাগে পৌঁছানোর আগে উষ্ণ সমুদ্রের ওপর দীর্ঘ সময় অবস্থান করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ পায়।
এর ফলে কোনো কোনো ঝড় আরও শক্তিশালী টাইফুনে পরিণত হতে পারে। তবে প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি ও গতিপথ নির্ভর করে সমুদ্রের তাপমাত্রা, বায়ুমণ্ডলের অবস্থা এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত উপাদানের ওপর।
বিজ্ঞানীরা চলতি বছর আরও টাইফুন তৈরির সম্ভাবনা দেখছেন। সেগুলোর কোনোটি জাপান বা পূর্ব চীনে আঘাত হানলে বন্যা, ভূমিধস এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে ২০২৬ সালের শেষভাগে তীব্রতা অর্জন করতে পারে এবং এর প্রভাব ২০২৭ সালেও অব্যাহত থাকতে পারে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, শক্তিশালী এল নিনো বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, বন্যা ও অতিরিক্ত তাপের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে এল নিনোর তীব্রতা বেশি হলেই সব দেশে একই মাত্রার বিপর্যয় ঘটবে, এমন নয়। কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মৌসুমি বায়ু, ভারত ও আটলান্টিক মহাসাগরের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য জলবায়ুগত উপাদান এর প্রভাবকে বাড়াতে বা কমাতে পারে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম পূর্বাভাস, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং জাতীয় আবহাওয়া সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্য, পানি ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনায় আবহাওয়ার পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যা নিজে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হয় না। তবে এর সঙ্গে অন্যান্য জলবায়ুগত পরিস্থিতি মিলিত হলে বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার প্রভাব আরও জটিল হতে পারে।
সূত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au