পার্বত্য চট্টগ্রামে কি ভারতকে হারানোর কৌশল নিয়েছিল পাকিস্তান?
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর। কোনো গুলি ছোড়া ছাড়াই ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক সাফল্য অর্জিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি…
ঢাকা, ৯ জুলাই-
ফেনীতে টানা ভারী বর্ষণের কারণে একদিকে শহরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। ফেনী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।
টানা বৃষ্টির ফলে শহরের শহীদ শহিদুল্লাহ কায়সার সড়ক, ডাক্তারপাড়া, মিজান রোড, কলেজ রোড, একাডেমি রোড, রামপুর শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি, নাজির রোড ও পেট্রোবাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে সড়কগুলো। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে পানি দ্রুত নামতে না পারায় দুর্ভোগ বেড়েছে।
জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। রিকশা ও যানবাহন চলাচল কমে যাওয়ায় অনেককেই হেঁটেই গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সিলোনিয়া নদীর পানিও পরশুরামে বিপৎসীমায় পৌঁছেছে। মুহুরী নদীর চারটি স্থানে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এদিকে ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত এখন পর্যন্ত অব্যাহত আছে এবং এটিই এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।
জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, যেকোনো জরুরি অবস্থায় বা সহায়তার প্রয়োজন হলে সরাসরি তাকে কল করার অনুরোধ করেছেন তিনি।
এখনো বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবং নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।
সুত্রঃ দৈনিক সমকাল
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au