প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র; ছবিঃ রয়টার্স
মেলবোর্ন, ১৫ জুলাই-
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (১৪ জুলাই) তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রকল্পের আর্থিক ব্যয় বহন করবে এবং ইউক্রেনকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে।
ট্রাম্প এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘পুতিন বাইরে থেকে বন্ধুর মতো দেখায়, কিন্তু রাতে এসে বোমা ফেলছে।’’ তিনি মনে করেন, ইউক্রেনকে শক্ত প্রতিরক্ষা না দিলে রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব হবে না।
এই ঘোষণা আসার পরই ট্রাম্পের বিশেষ দূত, সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা কিথ কেলগ কিয়েভে পৌঁছান। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়। জেলেনস্কি এই সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেন, এতে রাশিয়ার ওপর কূটনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বাড়বে।
এদিকে ইউরোপের পক্ষে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ জানিয়েছেন, ইউক্রেনে পাঠানো প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের খরচ জার্মানি বহন করবে। ট্রাম্পও নিশ্চিত করেছেন, ইউরোপের দেশগুলো এই ব্যয় বহন করবে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট এবং জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেট হল্ডারের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প এর আগেও ইউক্রেন ইস্যুতে নরম অবস্থান নিয়েছিলেন, তবে এবার প্যাট্রিয়ট সরবরাহের মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বারবার আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের দাবি জানানো হচ্ছিল।
রাশিয়া থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সহায়তার ফলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেমন শক্ত হবে, তেমনি পশ্চিমা জোটের একাত্মতাও প্রকাশ পাবে।
সুত্র- রয়টার্স