২০২০ সালের মার্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শমিহাল। ছবিঃ রয়টার্স
মেলবোর্ন, ১৬ জুলাই-
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী দেনিস শমিহাল পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। যুদ্ধাবস্থার মধ্যে এটি হতে যাচ্ছে দেশটির সবচেয়ে বড় সরকারি রদবদল, যা এ সপ্তাহেই কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শমিহালের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ইউক্রেনের ফার্স্ট ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার এবং অর্থমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিডেনকোকে মনোনীত করেছেন। স্ভিরিডেনকো জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের সহযোগী হিসেবেই পরিচিত।
২০২০ সালের মার্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শমিহাল। জেলেনস্কির পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি শিগগিরই ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন।
সংসদ সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্ভিরিডেনকোর মনোনয়ন নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টে ভোট হবে। এর মধ্যেই জেলেনস্কি তার সঙ্গে আগামী ছয় মাসের জন্য অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বার্তায় জেলেনস্কি জানিয়েছেন, নতুন সরকারের মূল কাজ হবে দেশীয় অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুনর্গঠিত সরকারের প্রাথমিক কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ সেই সঙ্গে তিনি তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার হামলার পর এটাই হতে যাচ্ছে ইউক্রেন সরকারের সবচেয়ে বড় রদবদল। এমন এক সময় এই পরিবর্তন আসছে, যখন দেশের পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা চলছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
সূত্র: রয়টার্স