ঢাকায় আসছেন হামজা চৌধুরী
শ্যামল সান্যাল, ঢাকা মেলবোর্ন, ৫ মে- ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে খেলা ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরী আকস্মিক সফরে ঢাকায় আসছেন।আজ মঙ্গলবার ঢাকায় এসে চার-পাঁচ দিন থাকার…
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, যা সকাল ৯টায় আরও বেড়ে ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। বিপদসীমা এখানে ৫২.১৫ সেন্টিমিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ পাঠক নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ডালিয়া ডিভিশনের উপসহকারী প্রকৌশলী তহিদুল ইসলাম। এতে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা ও কালিগঞ্জ উপজেলার নদী বেষ্টিত চর ও গ্রামগুলোতে ব্যাপক প্লাবন ঘটেছে। হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারী ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, তিস্তার পানি ওঠানামার ফলে বানভাসিদের দুর্ভোগ কমছে না। পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এবং এতে দুই হাজারেরও বেশি পরিবার বন্যাকবলিত হয়েছে। ফসলি জমি, মাছের পুকুর ও আমন ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, পানি বৃদ্ধি সামাল দিতে ব্যারাজের সব ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান বলেন, বন্যা এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au