জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ৪ সেপ্টেম্বর- ধর্মীয় সহিংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের আর পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি ছাড়াই ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গেল বছর কার্যকর হওয়া ভারতের নাগরিকত্ব আইনের আওতায় এসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বও পাবেন। সদ্য কার্যকর হওয়া অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিক আইন অনুযায়ী এ আদেশ জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুসারে, এর আগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে নির্ধারিত ছিল, তিনটি প্রতিবেশী দেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের আশ্রয় নেওয়ার সময়সীমা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন আইনে সেই সময়সীমা ১০ বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
ভারতীয় সরকার গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫’ কার্যকর করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন কার্যত বিনা প্রচারে ও বিনা বিতর্কেই পাশ হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, এভাবে আইন পাশ করে কি প্রতিবেশী দেশগুলোর সংখ্যালঘুদের ভারতে চলে আসতে উৎসাহিত করা হচ্ছে না?
এদিকে অভ্যুত্থান–পরবর্তী বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সংখ্যালঘু ও নারীদের ওপর হামলা এবং মব সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন সাউথ এশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস (এসএএইচআর)।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পান্থপথে দৃকপাঠ ভবনে আয়োজিত “আ ইয়ার অব ট্রানজিশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক দীক্সা ইল্লাঙ্গাসিংহে বলেন, জুলাই–পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমানভাবে অবনতি ঘটেছে। জননিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে নিরাপত্তা বাহিনী মব, প্রতিহিংসামূলক আক্রমণ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণহারে হত্যা মামলা দায়ের, অভিযুক্তদের জামিন না পাওয়া, বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও আইনের ফাঁকফোকর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতাকে বাড়িয়ে তুলছে। এতে শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হলো সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এজন্য সংবিধান, বিচারব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে জরুরি সংস্কার প্রয়োজন।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au