তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৪ সেপ্টেম্বর- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। কাতারে হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান হামলা এবং পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি ওয়াশিংটন থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে রওনা দেন।
উড়োজাহাজে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও বলেন, কাতারে হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ওয়াশিংটন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোটেই সন্তুষ্ট নন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।
তিনি জানান, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে গাজার জিম্মিদের মুক্তি, চলমান যুদ্ধের অবসান এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা করবেন। রুবিও বলেন, “এখনো ৪৮ জন জিম্মি আছেন। তাঁদের অবিলম্বে মুক্ত করতে হবে। যুদ্ধ শেষ হলেও গাজাকে পুনর্নির্মাণ করে সেখানকার মানুষকে মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে হবে।”
গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে ইসরায়েলি সেনাদের অভিযানে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যুদ্ধের কারণে সেখানে তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। ইসরায়েলের তথ্যমতে, ওই ঘটনায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে ৪৮ জন জিম্মি এখনো হামাসের হেফাজতে রয়েছেন।
জিম্মি মুক্তি ও যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে কাতার। অথচ গত মঙ্গলবার দোহায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তারা এ হামলাকে একতরফাভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ের স্বার্থবিরোধী।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র কাতারে এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন আরব দেশ। তাদের মতে, এর ফলে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির আলোচনাই হুমকির মুখে পড়েছে।
রুবিও ইসরায়েল সফরের আগে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন। গত শুক্রবার তিনি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে আলোচনায় বসেন। ওই দিন সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
রুবিওর সফর শেষ হলে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিকল্পিত ব্রিটেন সফরেও যোগ দেবেন।
সূত্রঃরয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au