তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর- অনেক দেশে নারীরা বিয়ের পর স্বামীর পদবি গ্রহণ করে থাকেন। এবার সেই প্রথার বিপরীতে নতুন দিগন্ত খুলে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটির সাংবিধানিক আদালতের এক ঐতিহাসিক রায়ে বলা হয়েছে, পুরুষেরাও চাইলে স্ত্রীর পদবি গ্রহণ করতে পারবেন।
আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়, এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের আইনি বাধা ছিল, যা ঔপনিবেশিক যুগ থেকে চালু হয়ে এসেছে। আদালত একে “লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য” আখ্যা দিয়ে বলেন, এ আইন কোনো সরকারি স্বার্থ রক্ষা করছে না। তাই আইনটি স্থগিত করা হলো।
নারীদের প্রতি বৈষম্যের দিকটি তুলে ধরে আদালত বলেন, আইনটি আসলে নারীদের প্রতি আরও গভীর ও সূক্ষ্মভাবে বৈষম্য তৈরি করেছিল। কারণ, এতে কেবল নারীকেই স্বামীর পরিচয়ে সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল, যা পিতৃতান্ত্রিক সামাজিক মানদণ্ডকে আরও শক্তিশালী করেছিল।
এই রায়ের ফলে এখন দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন সংশোধনের পথ সুগম হবে। সংশোধন কার্যকর হলে পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীর পদবি গ্রহণ করতে পারবেন।
এ মামলায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুটি দম্পতি। তাঁদের মধ্যে একজন পুরুষ তাঁর স্ত্রীর প্রয়াত মা–বাবাকে সম্মান জানাতে তাঁদের পদবি নিতে আবেদন করেন। অন্যদিকে, আরেক মামলায় একজন নারী নিজের পারিবারিক পদবি নামের সঙ্গে রাখতে আবেদন করেন, কারণ তিনি পরিবারের একমাত্র সন্তান।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা ন্যায়বিচার ও সাংবিধানিক উন্নয়নমন্ত্রী—কেউই এই আইনের পক্ষে সওয়াল করেননি। তাঁদের মতে, আইনটি অতি পুরোনো এবং তা বদলানো সময়ের দাবি।
আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো পুরুষ নিজের পদবি পরিবর্তন করতে চাইলে স্বরাষ্ট্র অধিদপ্তরে আবেদন করতে হতো, যা যাচাই–বাছাই শেষে অনুমোদিত হতো। তবে নতুন রায়ের ফলে এই প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং পুরুষেরা সমান অধিকার পাবেন স্ত্রীর পদবি গ্রহণে।
সূত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au