তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, দেশটি কখনোই উগ্র ডানপন্থী বিক্ষোভকারীদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। তিনি বলেন, ‘তারা জাতীয় পতাকার আড়ালে ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতার চেষ্টা করছে। কিন্তু যুক্তরাজ্যের পতাকা বৈচিত্র্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের প্রতীক। আমরা এটিকে সহিংসতা ও বিভেদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে দেব না।’
গত শনিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় উগ্র ডানপন্থী সমাবেশ। ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ শিরোনামে আয়োজিত এ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন উগ্র ডানপন্থী কর্মী টমি রবিনসন (আসল নাম স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেনন)। সমাবেশে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেওয়া টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কও।
বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এতে ২৬ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন এবং অন্তত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। লন্ডনের হোয়াইটহলে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে জাতীয়তাবাদী প্রতীক ও উসকানিমূলক বক্তব্য চোখে পড়ে।
বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে রবিনসন বলেন, ‘শুধু যুক্তরাজ্য নয়, সমগ্র পশ্চিমা বিশ্ব আক্রমণের মুখে। ইউরোপের নাগরিকদের জায়গা পরিকল্পিতভাবে দখল করা হচ্ছে।’ ফরাসি রাজনীতিক এরিক জেমুরও একই সুরে বলেন, ‘দক্ষিণ থেকে আসা মানুষ ও মুসলিম সংস্কৃতির কারণে ইউরোপীয় জনগণ নিজেদের জায়গা হারাচ্ছে। আমরা আমাদের সাবেক উপনিবেশগুলোর মাধ্যমে ঔপনিবেশিকতার শিকার হচ্ছি।’
এ সময় ইলন মাস্ক যুক্তরাজ্যে জরুরি ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানান এবং মানুষকে পাল্টা লড়াইয়ের ডাক দেন।
অন্যদিকে, একই সময়ে বর্ণবাদবিরোধী সংগঠন স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজম (এসইউটিআর)–এর ডাকে আয়োজিত পাল্টা সমাবেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভ-পরবর্তী প্রথম প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘মানুষের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার আছে। তবে পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলা বা গায়ের রঙ ও পরিচয়ের কারণে ভীতি প্রদর্শনের মতো কোনো কর্মকাণ্ড আমরা মেনে নেব না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যুক্তরাজ্য গড়ে উঠেছে সহনশীলতা, বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর। এই মূল্যবোধ থেকে আমরা কখনোই সরে আসব না।’
সুত্রঃ আল–জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au