তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর- থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে তার বয়স ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে কারাগারের চিকিৎসা বিভাগে স্থানান্তর করা
গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী থাকসিনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। আদালতের রায়ে বলা হয়, ২০২৩ সালের সাজা তিনি কারাগারের সেলে নয়, বরং হাসপাতালের বিশেষ কক্ষে থেকে ভোগ করেছেন, যা অনিয়ম হিসেবে গণ্য। বর্তমানে তিনি ব্যাংককের ক্লং প্রেম কারাগারে আটক রয়েছেন।
এক জ্যেষ্ঠ কারা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বয়স ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণেই তাকে চিকিৎসা বিভাগে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি চিকিৎসাধীন নাকি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেখানে আছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার পর সোমবার তার মেয়ে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা, মা এবং বড় বোন তাকে দেখতে যান। প্রায় ৩০ মিনিটের সাক্ষাৎ শেষে পেতংতার্ন সাংবাদিকদের জানান, নিয়ম অনুযায়ী তার বাবার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন,
“তার শারীরিক অবস্থা ভালো। রক্তচাপের কিছু সমস্যা আছে, তবে মানসিক চাপের কারণে কারাগারে থাকা সবার মধ্যেই এমনটা দেখা যায়।”
টেলিযোগাযোগ ব্যবসা থেকে রাজনীতিতে আসা থাকসিন থাইল্যান্ডের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। ২০০১ ও ২০০৫ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হয় সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে, এরপর তিনি নির্বাসনে চলে যান।
২০২৩ সালের আগস্টে দেশে ফেরার পর দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। যদিও পরে রাজকীয় ক্ষমায় সাজা কমিয়ে এক বছরে আনা হয় এবং বয়স্ক বন্দিদের জন্য প্রারম্ভিক মুক্তির আওতায় তিনি কিছুদিনের জন্য ছাড়া পান।
এদিকে তার আইনজীবী উইনিয়াত চাটমন্ট্রি বলেন, “কারাগারের বাইরে শাস্তি ভোগের আবেদন করার মতো সময় এখনো হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় কারাগারে থাকতে হয়, তারপর বিষয়টি বিবেচনায় আনা যেতে পারে। থাকসিন কোনো বিশেষ সুবিধা চাননি—না নিরাপত্তা, না বিশেষ কক্ষ।”
থাকসিনকে ঘিরে থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠলেও বিশ্লেষকদের মতে, ধীরে ধীরে তার রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস পাচ্ছে। গত মাসেই আদালতের আদেশে তার মেয়ে পেতংতার্নকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au