জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ১৭ সেপ্টেম্বর- ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বন্দরে মঙ্গলবার একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরান সমর্থিত হুতিদের ব্যবহৃত সামরিক অবকাঠামো। অন্যদিকে বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, ওই বন্দরে এক ডজন হামলা হয়েছে।
হুতিদের আল-মাসিরা টেলিভিশন জানায়, ‘ইসরায়েলি শত্রুর ১২টি বিমান হামলা হোদেইদা বন্দরে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।’ হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, বর্তমানে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরায়েলি বিমান প্রতিহত করছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা হুতি শাসনের মালিকানাধীন একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেছে। দাবি করা হয়, হোদেইদা বন্দর ব্যবহার করা হচ্ছিল ইরানি অস্ত্র পরিবহনের জন্য, যা ইসরায়েল ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহার হতো।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচায় আদরাই হামলার আগে সতর্ক করে বলেন, এটি হুতিদের সামরিক কর্মকাণ্ডের জবাব। তিনি বন্দরে অবস্থানকারীদের এবং নোঙর করা জাহাজগুলোকে সরে যেতে আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক্সে পোস্ট করা বিবৃতিতে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “হুতিরা যদি ইসরায়েল আক্রমণের চেষ্টা চালায়, তবে তারা ক্রমাগত আঘাত পেতে থাকবে এবং বেদনাদায়ক মূল্য দিতে হবে।”
এর আগে গত মাসে ইসরায়েলি হামলায় হুতি প্রধানমন্ত্রী আহমেদ গালিব নাসের আল-রাহাবি ও মন্ত্রিসভার অর্ধেক সদস্য নিহত হন। গত সপ্তাহে হুতিদের সামরিক গণমাধ্যম কার্যক্রম লক্ষ্য করে চালানো আরেক হামলায় বহু প্রাণহানি ঘটে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হুতিরা নিয়মিতভাবে ইসরায়েলের দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। তারা দাবি করে, এসব হামলা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির অংশ। এর জবাবে ইসরায়েল ইয়েমেনে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে, যার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
গত বুধবার ইসরায়েলি হামলায় সানায় হুতিদের গণমাধ্যম কার্যালয় ও জওফ প্রদেশের কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে হুতিদের দাবি অনুযায়ী, ৪৬ জন নিহত ও ১৬০ জনের বেশি আহত হয়। আগস্টে সানার কাছে এক হামলায় নিহত হন হুতি প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য, যা দুই বছরের বৈরিতায় সবচেয়ে বড় নেতৃত্ব পর্যায়ের হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au