কোণঠাসা বিজেপি কি ফের কট্টর হিন্দুত্বের পথে?
টানা আড়াই দশক ধরে ভারতের রাজনীতিতে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নানা কারণে এখন কিছুটা চাপে। এই পরিস্থিতিতে দলটি আবারও কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতির…
মেলবোর্ন, ৩ অক্টোবর- ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগ্রামী, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক আহমদ রফিক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন/ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু)।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।
বারডেম হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইসমাইল সাদী। তিনিই নিয়মিত আহমদ রফিকের চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছিলেন।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর সকালে আহমদ রফিককে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার তাঁকে বারডেমে স্থানান্তর করা হয়।
গত মঙ্গলবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইসমাইল সাদী জানিয়েছিলেন, আহমদ রফিকের কিডনির জটিলতা ও কয়েকটি ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়েছে। তিনি তখন অচেতন অবস্থায় ছিলেন এবং অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।
আহমদ রফিক ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে অন্যতম বিশিষ্ট গবেষক। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা শতাধিক, যার মধ্যে রয়েছে কবিতা, প্রবন্ধ, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও গবেষণাধর্মী গ্রন্থ।
রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ হিসেবে দুই বাংলায় তিনি সমানভাবে সমাদৃত ছিলেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন।
১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন আহমদ রফিক। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁর স্ত্রী ২০০৬ সালে মারা যান। তাঁদের কোনো সন্তান নেই।
দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে আহমদ রফিকের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au