‘কয়লা ও বয়লার সমস্যায় দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, এ কারণে লোডশেডিং’
মেলবোর্ন, ২৯ জুন- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দুইটি পাওয়ার স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট…
মেলবোর্ন, ১০ অক্টোবর- গাজামুখী নৌবহর ফ্রিডম ফ্লোটিলা থেকে আটক আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ বেশ কয়েকজন অধিকারকর্মীকে ইসরায়েলের কুখ্যাত কেৎজিয়েত কারাগারে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দৃক, ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ও ইসরায়েলের আরব সংখ্যালঘু অধিকার বিষয়ক সংস্থা আদালাহ।
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ ও গাজায় অবরোধ ভাঙার দাবিতে শুরু হওয়া এই নৌযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা—দুই সংগঠনের উদ্যোগে মোট নয়টি নৌযান গাজামুখী হয়। এতে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীরা যোগ দেন। বুধবার ইসরায়েলি সেনারা নৌবহরে হামলা চালিয়ে সব নাবিক ও যাত্রীকে আটক করে নিয়ে যায়।
দৃক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আদালাহ—দ্য লিগ্যাল সেন্টার ফর আরব মাইনরিটি রাইটস ইন ইসরায়েল” এর মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে, শহিদুল আলমসহ সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও নাবিককে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অভিযোগ, ইসরায়েলি বাহিনী নৌবহর দখলের সময় তাঁদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়।
কেৎজিয়েত কারাগার ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র, যা নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের নিয়মিত নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয়।
‘থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা’ জানিয়েছে, ইসরায়েল বেআইনিভাবে ফ্লোটিলা থেকে ১৪৫ জনকে আটক করেছে। তাঁদের অনেককে কেৎজিয়েত কারাগারে অমানবিক অবস্থায় রাখা হয়েছে—যেখানে তাঁদের মারধর, অপদস্থ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, আটক ব্যক্তিদের মুক্তির বিষয়ে আজ আদালতে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাঁদের পূর্ণ আইনি সহায়তা পেতে বাধা দিচ্ছে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডের বেশ কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য, যারা নৌবহরে ছিলেন, তাঁদের ইতিমধ্যে ইসরায়েল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগেও ইসরায়েল গাজাগামী আরেকটি নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে ৪৭৯ জনকে আটক করেছিল। তাঁদের মধ্যে সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। কয়েক ধাপে তাঁদের বেশিরভাগকেই ফেরত পাঠানো হয়, তবে এবারকার আটক অভিযানটি আরও বৃহৎ ও কঠোর বলে জানাচ্ছেন পর্যবেক্ষকরা।
এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো “গাজা অবরোধের বিরুদ্ধে কণ্ঠরোধের প্রচেষ্টা” হিসেবে দেখছে। তারা বলছে, ইসরায়েলের এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
সুত্রঃ দৃক
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au