পুলিশের সামনে বাসে ওঠার সময় নারীর মোবাইল ছিনতাই, চলন্ত বাস থেকে পড়ে গেলেন স্বামী
ঢাকার কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেই বাসে ওঠার সময় এক নারীর মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ছিনতাইকারীর ধাক্কায় চলন্ত বাস থেকে…
মেলবোর্ন, ১০ অক্টোবর- দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটেছে গাজায়। মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এখন মূল প্রশ্ন—যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার ভবিষ্যৎ কেমন হবে?
বিশ্লেষকদের মতে, গাজার পুনর্গঠন, প্রশাসনিক কাঠামো, নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জটিল আলোচনা সামনে আসবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই উপত্যকায় এখন প্রায় ৭০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস, লাখো মানুষ গৃহহীন এবং মানবিক সংকট চরমে।
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) নির্বাহী কমিটি জানায়, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) ইতোমধ্যে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মিসরের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ২০ দফা পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসন হামাসের পরিবর্তে একটি যৌথ ফিলিস্তিনি-আরব কাঠামোর অধীনে গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, বন্দি বিনিময় ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাবও রয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ নয়। হামাসকে বাদ দিয়ে গাজায় নতুন প্রশাসন গঠন করলে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর হতে পারে। অন্যদিকে, আরব দেশগুলোর যৌথ বাহিনী মোতায়েন বা নিরাপত্তা কাঠামো প্রতিষ্ঠা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
জাতিসংঘ বলছে, গাজার পুনর্গঠন ও মানবিক পুনর্বাসনে অন্তত ৫০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সহায়তা ও রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, গাজার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর—ফিলিস্তিনি ঐক্য পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান। এই তিনটির কোনো একটিও ব্যর্থ হলে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা নতুন সংকটের দোরগোড়ায় পৌঁছে যেতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au