আবারও কাঁপল ভেনেজুয়েলা, মৃত ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
মেলবোর্ন, ২৮ জুন- দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও কেঁপে উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা। বুধবার সন্ধ্যায় ৭ দশমিক ২ ও…
মেলবোর্ন, ২৬ অক্টোবর- গাজা উপত্যকা এখন এক বিশাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা UNRWA (United Nations Relief and Works Agency) জানিয়েছে, ইসরায়েলের দীর্ঘ দুই বছরের সামরিক অভিযান ও অবরোধের ফলে গাজায় প্রায় ৬১ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ জমে রয়েছে-যা আধুনিক ইতিহাসে যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ ধ্বংসের উদাহরণ।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলা, স্থল অভিযান ও টানা বোমাবর্ষণের ফলে গাজার অর্ধেকেরও বেশি ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। শহরের অনেক এলাকাই এখন চেনা যায় না-রাস্তা, স্কুল, হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে UNRWA জানায়, “গাজা এখন কংক্রিট, ইস্পাত আর মানবজীবনের ছাইয়ে ভরা এক মরুভূমি। পুরো পাড়া-প্রতিবেশ মুছে গেছে।”
এই বিপুল ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অগণিত মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকেই ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে প্রিয়জনের মৃতদেহ খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় অফিস (OCHA) জানিয়েছে, গাজার প্রায় ১৭ লাখ মানুষ এখনো গৃহহীন। অনেকে ধ্বংসাবশেষের পাশে অস্থায়ী তাঁবুতে বাস করছে, যেখানে বিশুদ্ধ পানি, বিদ্যুৎ ও চিকিৎসা সুবিধা নেই।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এই ৬১ মিলিয়ন টন ধ্বংসাবশেষ সরাতে কমপক্ষে ১৪ বছর সময় লাগতে পারে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এখনো প্রচুর অবিস্ফোরিত বোমা ও গোলা পড়ে আছে, যা উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, এসব ধ্বংসস্তূপ অপসারণ প্রক্রিয়ায় কার্বন নিঃসরণ ও বিষাক্ত ধুলার কারণে গাজার বায়ু ও মাটির মান আরও বিপর্যস্ত হতে পারে।
UNRWA কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি এক বিবৃতিতে বলেন,
“গাজা পুনর্নির্মাণের জন্য শুধু অর্থ নয়, প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সদিচ্ছা ও মানবিক করিডর খোলা রাখা।
যুদ্ধ শেষ হলেও গাজার মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছে।”
জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা গাজায় ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার, আশ্রয় পুনর্নির্মাণ এবং মানবিক সাহায্য অব্যাহত রাখার জন্য জরুরি তহবিল গঠন করে।
সুত্রঃরয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au