ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। দেশটির এক শতকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে…
মেলবোর্ন, ৩১ অক্টোবর- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান নতুন করে আলোচনা পুনঃশুরু করেছে,ইস্তানবুলে চলমান ওই সংলাপ ভাঙার ঠিক পরেই দুই দেশের প্রতিনিধি আবারও বৈঠকে বসছেন, যাতে সাম্প্রতিক সীমান্ত বিন্দুসমূহে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা নির্মূল করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ বের করা যায়।
এই মাসে সীমান্তে তীব্র গোলাগুলি ও মিলিট্যান্সের হামলায় দুইপক্ষই বড় ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে,এটাই আলোচনার প্রধান কারণ। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া লড়াই এবং হত্যাকাণ্ডের পর কাতার ও তুরস্কসহ কয়েকটি মধ্যস্থ দেশের উদ্যোগে প্রথমে দু’পক্ষই দোহার মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে; তবে সাম্প্রতিক প্রথম দফা আলোচনায় সমাধান বেরিয়ে না আসায় ইস্তানবুলে আলোচনার নতুন রাউন্ড দরকার পড়ে।
গত রাউন্ডে পাকিস্তান কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেছেন, আফগান প্রতিনিধিদল,বিশেষত তালেবান পক্ষ-ই টিটি-পির (TTP) মতো গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনার স্পষ্ট নিশ্চয়তা দেননি; পক্ষান্তরে আফগান তরফ অভিযোগ করেছে পাকিস্তানই প্রথমে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিয়েছে। ইস্তানবুলের আগের রাউন্ডে একাধিকবার চুক্তির কাছাকাছি যাওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে নির্দেশ বদলে কথাবার্তা ভেস্তে যায়।
তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তান প্রতিনিধি ফের আইস্তানবুলে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন; হোস্ট দেশগুলোর অনুরোধেই পাকিস্তানি প্রতিনিধি দফতর ইস্তানবুলে থেকে রওনা হতে বিলম্বিত হয়েছে এবং আলোচনার সুযোগ আরো একবার দেওয়া হচ্ছে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বৈঠকে সীমান্তে স্থায়ী রেখে দেওয়া, সন্ত্রাসী শিবির ভাঙার নিশ্চয়তা, এবং দু’পক্ষের মধ্যে ঘাতক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ বিষয়ে আলোচনা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
দুই দেশের মধ্যে আস্থা ভাঙার প্রভাব কেবল সামরিক নয়-স্থানীয় বাণিজ্য, সীমান্তে বসবাসকারী নাগরিক ও গোটা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার ওপরও তা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইস্তানবুল রাউন্ডেও মেনে-চleneা সমাধান না মেলে, তাহলে পার্শ্ববর্তী সংঘাত আরো বাড়তে পারে এবং পাকিস্তান সীমান্তের গহ্বরভিত্তিক সংকট মোকাবিলায় কঠোর কূটনৈতিক বা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের হুমকি জারি করেছে। ফলে আবারও বড় ধরণের সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে মধ্যস্থতাকারী কাতার ও তুরস্ক এবারও আলোচনার মঞ্চ ধরে রাখতে আগ্রহী; যুক্তরাষ্ট্র এবং কিছু প্রতিবেশী দেশও পরিস্থিতি মনিটর করছে এবং প্রয়োজনে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে। ইস্তানবুল রাউন্ড সফল হলে সীমান্তে স্থায়ী মনিটরিং/নিজেদের প্রতিশ্রুতি প্রণয়ন এবং তৎপরতা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; ব্যর্থ হলে হামলা-প্রতিহাম হিসেবের তীব্র প্রতিক্রিয়া আবার উঠতে পারে।
সীমান্তে চলমান হিংসা ও সন্ত্রাসী হামলার পরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান আবারও ইস্তানবুলে বসছে,বৈঠকটি ভাঙা সংলাপকে জোড়া লাগানো এবং টিটি-পিসহ সশস্ত্র গোষ্ঠীর সর্মথন বন্ধ করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে; তা না হলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au