ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। দেশটির এক শতকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে…
মেলবোর্ন, ৩১ অক্টোবর- ভারতের মুম্বাই শহরে এক ভয়াবহ ঘটনায় ১৭ জন শিশুকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি দীর্ঘক্ষণ জিম্মি রাখে। শিশুরা একটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী। দমনমূলক এই ঘটনার পেছনে অভিযুক্তের দাবি ছিল, সে আত্মহননের চেষ্টা না করে পুলিশের নজরে আসার জন্য এই চরম পথ বেছে নিয়েছে। তবে স্থানীয় পুলিশ অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে শিশুরা সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে।
মুম্বাইয়ের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্কুলে মঙ্গলবার সকালে ঘটেছে এই ঘটনা। এক ব্যক্তিকে দেখা যায় শিশুরা ধরে রেখে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রাখছে। পুলিশকে দ্রুত খবর দেয় স্কুলের শিক্ষক ও স্থানীয় জনতা। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় ভাষায় দাবি করে, “আমি আত্মহত্যা করতে চাইছিলাম, কিন্তু সবাই আমার দিকে তাকাবে, পুলিশও আসবে।”
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান,
“আমরা অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। শিশুরা সবাই নিরাপদে ছিল, তবে মানসিকভাবে আতঙ্কিত ছিল। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুদের উদ্ধার করতে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। উদ্ধারকালে বিশেষ থ্রেট রেসপন্স টিম (SRT) এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা নেওয়া হয়। শিশুরা পরে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয় এবং তাদের মানসিক সাপোর্ট দেওয়া হয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী মানসিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আদালতের মাধ্যমে নির্দেশনা নেওয়া হয়েছে।
শিশুদের অভিভাবকরা পুলিশের তৎপরতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এক অভিভাবক বলেন,
“পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আমাদের সন্তানরা নিরাপদে উদ্ধার হয়েছে। এটি এক প্রকার শোক ও আতঙ্কের অভিজ্ঞতা হলেও শেষ পর্যন্ত সবাই নিরাপদ।”
শিশুরা যদিও নিরাপদে আছে, তবে এই ঘটনার মানসিক প্রভাব দূর করতে স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের লক্ষ্য করে এমন ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে মানসিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তারা বলেন, এমন পরিস্থিতিতে স্কুল ও স্থানীয় পুলিশকে প্রস্তুত থাকা জরুরি। এছাড়া মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সঠিক চিহ্নিতকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা অপরিহার্য।
সূত্র : এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au