শাহবাগে রাকিবুল ইসলাম হত্যায় গ্রেপ্তার ৪
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- রাজধানীর শাহবাগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া…
মেলবোর্ন, ১২ নভেম্বর- ইসরায়েলি পার্লামেন্ট কনেসেট প্রথম দফায় এমন একটি বিতর্কিত বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের’ মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার এই বিলটিকে দেশের “জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য জরুরি পদক্ষেপ” বলে আখ্যায়িত করেছে।
বিলটি প্রথম পাঠে ৫৮–এর বিপরীতে ৬৩ ভোটে পাস হয়। এখন এটি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠে অনুমোদন পেলে আইনে পরিণত হবে।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেন,
“যারা নিরীহ ইসরায়েলিদের হত্যা করে, তারা মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো সাজা পাওয়ার যোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, এই আইন কার্যকর হলে “সন্ত্রাসীদের মনে ভয় তৈরি হবে” এবং ভবিষ্যতে হামলার ঘটনা কমবে।
বিল অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি বা বিদেশি নাগরিক যারা ইসরায়েলি নাগরিকের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলায় জড়িত থাকবে, তাদের সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে।
আইনটি বিশেষভাবে গাজা ও পশ্চিম তীরের ঘটনাকে লক্ষ্য করে তৈরি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW) এই বিলের তীব্র সমালোচনা করেছে।
তারা বলছে, এটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দেওয়ার সামিল।
অ্যামনেস্টির বিবৃতিতে বলা হয়,
“ইসরায়েলি আদালতের কাঠামো ইতিমধ্যেই বৈষম্যমূলক। এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড আইন কার্যকর হলে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ঘটবে।”
বিরোধী দল ইয়াইর লাপিদ ও তার দল ইয়েশ আতিদ এই বিলকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে অভিহিত করেছে।
তাদের মতে, সরকার গাজার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ভেতরের রাজনৈতিক সংকট থেকে মনোযোগ সরানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে,
“মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের নীতির পরিপন্থী। এটি সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করবে।”
বিলটি এখনও চূড়ান্তভাবে আইনে পরিণত না হলেও ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্ককে আরও অস্থিতিশীল ও সংঘাতমুখী করে তুলতে পারে।
এখন দৃষ্টি সকলেরই কনেসেটের পরবর্তী অধিবেশনের দিকে, যেখানে এই বিলের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au