বিশ্বকাপে নেইমারকে চান না আনচেলত্তি!
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- চোট ও ফর্মের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাচ্ছে না নেইমারকে। কোচ কার্লো আনচেলত্তি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নেইমারের দলে…
মেলবোর্ন, ২৬ নভেম্বর- পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার আগে ব্রিটিশ সংসদ সদস্য টিউলিপ সিদ্দিকের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন যুক্তরাজ্যের পাঁচজন শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী।
তারা লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলেছেন, টিউলিপ সিদ্দিক মামলাটি লড়ার ন্যূনতম অধিকারও পাননি। অভিযোগ ম্পর্কে যথাযথ ধারণা, আইনজীবী নিয়োগ বা নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার কোনও সুযোগ তিনি পাননি।
চিঠিটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান। সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক বিচারমন্ত্রী রবার্ট বাকল্যান্ড, সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী ও আইনজীবী শেরি ব্লেয়ার, ডমিনিক গ্রিভ, ফিলিপ স্যান্ডস এবং জিওফ্রি রবার্টসন।
আইনজীবীরা মামলাটিকে সাজানো এবং অন্যায্য বলে উল্লেখ করেছেন। তারা দাবি করেন, বাংলাদেশে টিউলিপ যে আইনজীবীকে নিয়োগ দিতে চেয়েছিলেন, তাকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয়েছে এবং গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। এমনকি আইনজীবীর মেয়েকেও হুমকি দেওয়া হয়। তাদের মতে, এসব ঘটনা বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের উদ্বেগকে আরও গভীর করেছে।
টিউলিপ সিদ্দিক শেখ হাসিনার ভাগ্নি এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেটের নির্বাচিত এমপি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার খালা শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করে পূর্বাচলে তার মায়ের নামে প্লট বরাদ্দে সহায়তা করেছিলেন।
টিউলিপ বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন, এবং এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে বর্ণনা করছেন।
মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১ ডিসেম্বর। শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং টিউলিপ সিদ্দিককে পলাতক দেখিয়ে বিচার শেষ করা হয়েছে। দুদক তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করেছে।
ব্রিটিশ আইনজীবীরা বলেন, যুক্তরাজ্যের নাগরিক হিসেবে টিউলিপকে মামলার তথ্য বা প্রমাণ দেখানো হয়নি, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী। তারা বাংলাদেশের প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।
গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর দেশের বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার সঙ্গে টিউলিপের নাম আলোচনায় আসে। লন্ডনে রাষ্ট্রীয় প্রভাবিত উপায় ফ্ল্যাট পাওয়ার অভিযোগেও তিনি বিতর্কে পড়েছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে সে সময় ব্রিটিশ সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
আইনজীবীদের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস যখন আইনের শাসনের ওপর জোর দিচ্ছেন, তখন এমন বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au