বিতর্কিত ১০০ কোটি ডলারের এলএনজি চুক্তি, বড় ধরণের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই রাজনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে উচ্চ ব্যয়ের একটি নতুন ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক…
মেলবোর্ন, ২৭ নভেম্বর- সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা ক্লাস বর্জনসহ সব ধরনের শিক্ষাকর্ম স্থগিত রাখবেন। এতে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ ও সময়োন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হলেও এখনো বাস্তবায়নের কোনও নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংগঠনটি দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচির পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয়।
সমিতির সভাপতি বলেন, আলোচনার নামে বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। শিক্ষক সমাজকে অবমূল্যায়নের এই প্রবণতা অগ্রহণযোগ্য। তাই বাধ্য হয়েই লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ শিক্ষকেরা জানান, শিক্ষকদের গ্রেড উন্নয়ন, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে স্বচ্ছ পদোন্নতি নীতি এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনসহ নানা দাবি বহুদিন ধরে ঝুলে আছে। এসব সমস্যার সমাধান ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়।
অন্যদিকে অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে কর্মবিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় এর প্রভাব পড়বে। তারা দ্রুত আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। যেসব দাবি বাস্তবসম্মত, সেগুলো বিবেচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, দাবি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au