সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণসহ পাঁচ দফা দাবিতে শাহবাগ মোড়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকায় থাকা ভোলার বাসিন্দারা। শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শুরু হওয়া এই অবরোধ সাড়ে তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এতে শাহবাগ ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয় এবং জনদুর্ভোগ বাড়তে থাকে।
সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে শরীফ নামে একজন ঘোষণা করেন, তাদের দাবিতে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে ৭২ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে। তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্যোগ না নিলে ভোলা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এর আগে বিকেল ৩টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে পূর্বঘোষিত “লং মার্চ টু ঢাকা” কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়। পরে মিছিল শাহবাগে পৌঁছালে তারা মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হলেও আন্দোলনকারীরা সরে যেতে অস্বীকৃতি জানান।
ভোলাবাসীর দাবির তালিকায় রয়েছে ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ, মেডিকেল কলেজ স্থাপন, গ্যাসভিত্তিক শিল্পায়ন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ। সড়কে দাঁড়িয়ে তারা “ভোলা–বরিশাল সেতু চাই”, “আমার গ্যাস তুমি নাও, বিনিময়ে কী দাও”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ভোলার সঙ্গে স্থল যোগাযোগ না থাকায় জরুরি সময়ে চিকিৎসা সেবা পেতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়েন। তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাবাসী রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার। আন্দোলনের নেতারা জানান, সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট উদ্যোগ না এলে পরবর্তী কর্মসূচি আরও কঠোর হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au