হুথিদের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাত বন্ধ এবং তেল রপ্তানি স্বাভাবিক করতে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে…
মেলবোর্ন, ৪ ডিসেম্বর- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, অর্থনীতিতে চাঁদাবাজির একটি চক্র দুর্বল হলেও আরেকটি চক্র আবার সেই জায়গা দখল করছে।
তিনি মনে করেন, এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিডিএ এবং ইউএনডিপির যৌথ আয়োজিত বিনিয়োগ পরিবেশ বিষয়ক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
গভর্নর জানান, খেলাপি ঋণ আদায়কে কার্যকর করতে অর্থ ঋণ আইনে সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, ব্যাংক খাতের সংকট কাটাতে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিসেম্বর থেকে আগামী মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশের নিচে নামবে। তিনি বলেন, রিজার্ভ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপে নয়, দেশের নিজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনার কারণে। পাশাপাশি তিনি জানান, বছরের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি পাঁচ শতাংশের নিচে নামতে পারে।
তিনি আরও বলেন, দেশের যে সব প্রতিষ্ঠান মানুষকে কাজ দিচ্ছে তারা জাতীয় সম্পদ। কোনো ব্যক্তির অপরাধ বা দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা যায় না। তবে যেই ব্যক্তি আইনের বাইরে গিয়ে অনিয়ম করবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটিই বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি।
গভর্নর জানান, প্রস্তাবিত অর্থ ঋণ আইনের মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা আগামী অর্থ বছরের বাজেট থেকে জোগান দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
দেশে অনেক ছোট বা দুর্বল ব্যাংক থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করলে ব্র্যাক ব্যাংক আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে পারে, যদিও এটি আগামী ২০ বছরের কম সময়ে সম্ভব নয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au