চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৮ ডিসেম্বর- মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় দুই সহোদরকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিজ বাড়িতে ঢুকে চালানো এই হামলায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত দুজন হলেন লন্ডনপ্রবাসী এক ছাত্রলীগ নেতার বাবা ও চাচা। স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও পূর্ববিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল গ্রামের ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের মৃত নিমার আলীর দুই ছেলে জামাল উদ্দিন ও আব্দুল কাইয়ুম। জামাল উদ্দিনের বয়স ছিল ৫৫ বছর। তিনি কুয়েতপ্রবাসী ছিলেন এবং মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান কবিরের বাবা। মাত্র ছয় মাস আগে তিনি কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছিলেন। তার ছোট ভাই আব্দুল কাইয়ুমের বয়স ৪৮ বছর। তিনি পেশায় কৃষক।
এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে মো. জমির উদ্দিন গুরুতর আহত হন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাগরিবের আজানের কিছুক্ষণ আগে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দুই ভাইকে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। হামলার সময় জমির উদ্দিন বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। তবে কী কারণে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রব বলেন, কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নিহতদের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় রাজনৈতিক বিরোধ বা পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au