ডিবির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশীদকে বরখাস্ত
অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর…
মেলবোর্ন ৩১ ডিসেম্বর- বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনে নেওয়ার পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মায়ের মরদেহের পাশে বসে কোরআন তিলাওয়াতে দেখা গেছে তাঁর বড় ছেলে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তারেক রহমানকে কোরআন তিলাওয়াত করতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর আবেগের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
এর আগে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়। পাশেই তাঁর দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’। সেখানে দলের শীর্ষ নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন।
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে মরদেহ গুলশানের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো পথে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বাসায় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর কন্যা জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও।
দলীয় সূত্র জানায়, গুলশানের বাসা থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজার জন্য নেওয়া হবে। জানাজা শেষে তাঁকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ৭৯ বছরের দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক জীবনের অবসানে দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au