গ্রিনসকে অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে চার দলের নেতাদের বিতর্কে রাজি জেস উইলসন
লেবার ও ওয়ান নেশন নেতাদের সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিতে সম্মতি জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়ার লিবারেল পার্টির নেতা জেস উইলসন। তবে তাঁর শর্ত, বিতর্কে গ্রিনস পার্টিকেও রাখতে হবে।…
অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর ধরা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাকে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’ হিসেবে বিবেচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে তাঁর বরখাস্ত কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ (বিপি-৭৪০১১১৯৭৫৩) ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। তাঁর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইল ঠিকানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি।
এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল তাঁর বিরুদ্ধে ০০৫/২০২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলা করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। এমনকি সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।
তদন্তে ‘পলায়নের’ অভিযোগ প্রমাণিত
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২২ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৬ আগস্ট জমা দেওয়া প্রতিবেদনে হারুন-অর-রশীদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
এরপর গত ২০ আগস্ট তাঁকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এবারও তিনি কোনো জবাব দেননি।
পরবর্তী সময়ে চাকরি থেকে বরখাস্তের মতো গুরুদণ্ড আরোপের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হয়। গত ১ অক্টোবর কমিশন তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মতামত দেয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন এবং সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ পর্যালোচনা করে হারুন-অর-রশীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, বরখাস্তের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au