ইসরায়েলের নির্বাচনে কে কী বললেন, আর ফলাফলে কার অবস্থান কোথায়?
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে কোনো দল বা জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে নেই। প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন…
মেলবোর্ন, ৭ জানুয়ারি: হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে দখল করার পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন, যার মধ্যে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিবেচ্য অপশন হিসেবে রয়েছে। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ হলেও এতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত গুরুত্ব থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন এটি “জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার” হিসেবে দেখছে এবং সামরিক ব্যবহারের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যায়নি।
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি কারোলাইন লিভিট জানিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার, এবং এটি রাশিয়া ও চীনের মতো প্রতিপক্ষকে উত্তর মেরু অঞ্চলে বিরত রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন বিকল্পের ওপর আলোচনা চলছে, এবং অবশ্যই সামরিক ব্যবহার ‘সব সময় একটি অপশন’ হিসেবে রয়েছে।”
গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাবটি নতুন নয়; ট্রাম্প অনেক মাস ধরেই এই বিষয়ে কথা বলছেন। কিন্তু সামরিক অপশনকে এবার পুরোপুরি খারিজ করা হয়নি, বরং মার্কিন প্রশাসন তা একেবারে নিষিদ্ধও করেনি। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে প্রতিহত করা এবং ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগত সুবিধা লাভ করা।
সামরিক ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা সামনে আসার পরই ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, স্পেন, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র ডেনমার্ক ও গৃহনির্ভর জনগণের সিদ্ধান্তে নির্ভর করবে এবং কোনো বৈধ অধিগ্রহণ হবে না।
এই মুহূর্তে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড প্রশাসন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনো ধরনের দখল-চেষ্টাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছে না এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানায়, গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনার জন্য সামরিক অপশনও খোলা রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। ছবি: সংগৃহীত
২০১৪ সালের পর থেকে আর্কটিক অঞ্চল গুরুত্ব পেতে থাকায়, এই ধরণের আলোচনা কখনোই কেবল কল্পনাই নয়—এটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ও সামরিক কৌশলের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au