১১৫ দিন আটকে থাকার পর হরমুজ প্রণালি পার হলো ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- দীর্ঘ ১১৫ দিনের অনিশ্চয়তা শেষে অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত তিনটার…
মেলবোর্ন, ১৩ জানুয়ারি- ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতেই ট্রাম্প এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ‘ইরানের সঙ্গে ব্যবসা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। এরপর রয়েছে ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারত। ট্রাম্পের ঘোষণার ফলে এসব দেশের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপের কথাও ভাবতে পারে। এর মধ্যেই শুল্ক আরোপের এই ঘোষণা এলো।
ট্রুথে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “যে দেশ ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সব ধরনের বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক দেবে। এই আদেশ চূড়ান্ত।” তবে কোন কোন দেশ এ শুল্কে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।
হোয়াইট হাউজ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ফলে শুল্ক আরোপের বাস্তব প্রয়োগ এবং এর আইনি কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর তথ্য অনুযায়ী, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণাকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নতুন কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কেও নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au