ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন ২২ জানুয়ারি- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত বহুল আলোচিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যুক্ত হতে সম্মত হয়েছে আরও সাতটি দেশ। সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে মুসলিমপ্রধান এসব দেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বোর্ড অব পিস মূলত গাজা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল পুনর্গঠনের একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক উদ্যোগ হিসেবে সামনে এসেছে। শুরুতে এটিকে গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধ এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম তদারকির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হলেও, প্রস্তাবিত সনদে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় অধিকার বা রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনো উল্লেখ নেই। এতে জাতিসংঘের ভূমিকা খর্ব হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কূটনীতিক ও বিশ্লেষকেরা।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এই বোর্ডে যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন। তবে ক্রেমলিন এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পুতিন এর আগে মন্তব্য করেছেন, উদ্যোগটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক এবং রাশিয়া প্রয়োজনে এক বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
সৌদি আরব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর এই অংশগ্রহণ গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, পুনর্গঠন এবং ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে। দেশটির মতে, চলমান সংকট নিরসনে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক কাঠামো এখন জরুরি।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও ভিয়েতনাম ইতোমধ্যে বোর্ড অব পিসে যোগ দিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারও এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। তবে কানাডা ও যুক্তরাজ্য এখনো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। অন্যদিকে স্লোভেনিয়া এই উদ্যোগে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে, এটি বিদ্যমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।
গাজা ইস্যুতে ঘোষিত শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। যুদ্ধবিরতির পরও পুরোপুরি সহিংসতা বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বোর্ড অব পিস কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সন্দেহ দুটোই বাড়ছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au