১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ২ হাজার ৬০ টাকা
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার…
মেলবোর্ন, ৮ ফেব্রুয়ারি- ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান প্রায় চার বছরের যুদ্ধ শেষ করতে চলতি বছরের জুনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ কথা জানিয়েছেন।
শুক্রবার কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রীষ্মের শুরুতেই যুদ্ধ শেষ করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই দুই পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে চায়। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য একটি স্পষ্ট সময়রেখা নির্ধারণে আগ্রহী।
জেলেনস্কির মতে, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরবর্তী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন ইতোমধ্যে ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ক্ষমতায় আসার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করবেন। তবে এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। এ নিয়ে সমালোচকদের অভিযোগ, ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রভাবের মধ্যে পড়ে ক্রেমলিনের অবস্থানের প্রতি তুলনামূলকভাবে নমনীয় হয়ে উঠছেন।
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই আলোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া সেখানে দাবি করে, ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলের শিল্পসমৃদ্ধ দনবাস অঞ্চল, বিশেষ করে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। কিয়েভ এ দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী তারা কোনো ভূখণ্ড ছাড়তে পারে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আলোচনার অংশ হিসেবে উভয় পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে। ইউক্রেন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জেলেনস্কি জানান, এই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতেও যুদ্ধবন্দি বিনিময় অব্যাহত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেন, শান্তি আলোচনায় এখনো অনেক কাজ বাকি থাকলেও যুদ্ধবন্দি বিনিময় প্রমাণ করে যে ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত সময়সীমা মানা না হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো স্পষ্ট অবস্থান জানায়নি।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au