ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ২০ ফেব্রুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি হবে নাকি যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ নিতে হবে, এটি স্পষ্ট হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে নিজের নতুন ‘বোর্ড অব পিস’ সভায় তিনি এই সময়সীমার কথা উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিশ্ব জানতে পারবে ইরানের সঙ্গে কোনো অর্থবহ চুক্তি হচ্ছে কি না, নতুবা যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পরবর্তী ধাপে’ এগোতে হবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসির সাবেক ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস ভবনে আয়োজিত সভায় ট্রাম্প বলেন, “ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি অর্থবহ চুক্তিতে পৌঁছাতে আমাদের আরও কিছু কাজ বাকি আছে। তবে পরিস্থিতি যদি অনুমিত পথ অনুসারে না যায়, আমরা হয়তো আরও এক ধাপ এগোতে বাধ্য হব।” তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘খুব ফলপ্রসূ’ বৈঠক করেছেন। তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে অর্থবহ চুক্তি করা ঐতিহাসিকভাবে সহজ নয়।
গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবি করেছিল। যদিও পরবর্তীতে জানা যায়, হামলায় ইরানের খুব একটা ক্ষতি হয়নি এবং পারমাণবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে। কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতিও বাড়িয়েছে। ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড রণতরি মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন বাহিনীর উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “মার্কিন রণতরির চেয়েও বিপজ্জনক হলো সেই অস্ত্র, যা ওই রণতরিকে সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দিতে পারে।” স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলো আরও শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কিছু কংগ্রেস সদস্য। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রো খান্না ও রিপাবলিকান থমাস ম্যাসি ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট’ ব্যবহার করে আগামী সপ্তাহে কংগ্রেসে ভোটাভুটি আয়োজনের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। রো খান্না বলেন, “ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ হবে বড় বিপর্যয়। ৯০ মিলিয়ন মানুষের দেশটিতে শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে এবং ওই অঞ্চলে থাকা ৩০-৪০ হাজার মার্কিন সেনা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।”
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ট্রাম্প এখনও কূটনৈতিক সমাধানের আশায় আছেন, তবে ইরানের উচিত বুদ্ধিমানের মতো চুক্তিতে আসা। তিনি বলেন, কূটনীতি সবসময়ই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ, তবে সামরিক পদক্ষেপ এখনো বিকল্প হিসেবে রয়ে গেছে।
সূত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au