মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ২৪ ফেব্রুয়ারি- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ–এর সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ। তাঁর অভিযোগ, ড. ইউনূসের কর্মকাণ্ড সংবিধান লঙ্ঘনের সীমা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকার ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’-এ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহসিন রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিকভাবে কার্যকর পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার অনুসরণ না করা গুরুতর লঙ্ঘন। তাঁর ভাষায়, “এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, এটি রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি। তাঁকে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং বঙ্গভবনে পাঠানো বিভিন্ন নথিতে সই নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে রাষ্ট্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক, তাই তাঁকে অসম্মান করা মানে রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা।
মোহসিন রশীদ বলেন, একজন সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে ‘চোর’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, যার কাছ থেকে শপথ নেওয়া হয়েছে, তাঁকেই প্রকাশ্যে এমন ভাষায় সম্বোধন করা কতটা শোভন এবং তা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তিনি দাবি করেন, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় রীতি ও শালীনতার পরিপন্থী। এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি বা বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের আহ্বান জানান মোহসিন রশীদ। তাঁর বক্তব্য, রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরীক্ষার ক্ষেত্র নয়। রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা জরুরি।
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট রায়ের সার্টিফায়েড কপি চেয়েছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ আবেদন করবেন বলে জানান। ভবিষ্যতে যাতে কোনো অসাংবিধানিক বা অবৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার ওপরও জোর দেন তিনি।
মোহসিন রশীদ বলেন, সরকার যদি কোনো তদন্ত কমিটি গঠন না করে, তবে তিনি আইন অনুযায়ী নোটিশ পাঠিয়ে নিজেই মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেবেন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন। তাঁর ভাষায়, “আগেও করেছি, প্রয়োজনে আবারও করব।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au