মেলবোর্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারি- নরসিংদীর মাধবদীতে এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করার অভিযোগে ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ানসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের অভিযান চালিয়ে তাদের মাধবদীর বিভিন্ন স্থানে আটক করা হয়।
অভিযোগ অনুসারে, ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং লাশ সরিষা ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের নাম ও পরিচয়:
- আহম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), বিচারক মহিসাষুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি, মাধবদী কোতয়ালীরচর নাজির দেওয়ানের ছেলে
- মো. ইমরান দেওয়ান (৩২), আহম্মদ আলীর ছেলে
- এবাদুল্লাহ (৪০), ধর্ষক নুরার চাচাতো ভাই, মৃত সাহাবুদ্দিনের ছেলে
- মো. আইয়ুব (৩০), মো. আজগর আলীর ছেলে
- গাফফার (৩৪), হোসেন বাজার এলাকার মৃত মজিবুরের ছেলে
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও নরসিংদী সদর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, “ধর্ষক ও হত্যাকারীসহ সকল অপরাধীর জন্য আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। অপরাধী যে দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যেই ধর্ষক নুরাসহ সব অপরাধীদের গ্রেফতারের জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।”
নিহতের বাবা মো. আশরাফ হোসেন জানান, মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধ্যার পরেও খোঁজে পাওয়া যায়নি। পরদিন সকালে মেয়ের লাশ সরিষা ক্ষেতে পাওয়া যায়। তিনি দাবি করেন, যারা তার মেয়েকে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।
মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মোট নয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।