অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যু, নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ শামস সুমন আর নেই। বিশিষ্ট এই অভিনেতা ও রেডিও ভূমি-র স্টেশন চিফের মৃত্যুতে (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)…
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে একই দিন বিএনপির রমনা থানার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম আদালতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন। আবেদনের পর আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম (আমীর) জানান, আদালত বাদীর বক্তব্য শুনে মামলাটি গ্রহণ করেছেন এবং আসামিকে নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বিপরীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। নির্বাচনের সময় এবং নির্বাচনের পর বিভিন্ন সময় তিনি মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনে পরাজয়ের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে একাধিক বক্তব্য দেন, যা তার সম্মানহানি ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের দাবি, গত ৫ মার্চ ফেসবুকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য দেখতে পান আশরাফুল ইসলাম। ওই বক্তব্যে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করা হয় এবং তা ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনটি ছিল বহুল আলোচিত একটি আসন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৮০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন মির্জা আব্বাস।
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস মোট ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট পান। অন্যদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট।
মামলার বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখে আদালতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হাজির থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au