বিতর্কিত ১০০ কোটি ডলারের এলএনজি চুক্তি, বড় ধরণের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই রাজনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে উচ্চ ব্যয়ের একটি নতুন ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক…
মেলবোর্ন, ২৪ মার্চ- কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে গিয়ে রূপন কান্তি দে (৪২) নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার হারবাং স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রূপন কান্তি দে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চকরিয়া থানার অধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যার দিকে জুনাইদ নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে উপ-পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হারবাং এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আসামিকে ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এএসআই রূপন কান্তি দে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দোকানদার অহিদুল ইসলাম জানান, আসামিকে আটকের পর কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন রূপন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরে অচেতন অবস্থায় তাকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেনও অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জায়নুল আবেদীন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই রূপন কান্তি দে মারা যান। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন বলেন, হারবাং স্টেশনের একটি দোকানে অবস্থানকালে রূপন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং আগে দুইবার স্ট্রোক করেছিলেন। তার হার্টে রিংও বসানো ছিল।
এদিকে রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের এক বিবৃতিতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান জানান, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে স্ট্রোকজনিত কারণে এএসআই রূপন কান্তি দে মারা গেছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au