মেলবোর্ন, ২৫ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ফিলিপিন্স। বিশ্বে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রথম দেশ হিসেবে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফিলিপিন্স তার মোট তেলের প্রায় ৯৮ শতাংশই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমদানি করে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশটির জ্বালানি বাজারে। গত তিন সপ্তাহে একাধিকবার জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এক নির্বাহী আদেশে জ্বালানি সরবরাহে ‘আসন্ন বিপদের’ কথা উল্লেখ করে বলেন, এই ঘোষণা সরকারকে জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আইনি ক্ষমতা দেবে।
নতুন আদেশের আওতায় জ্বালানি, খাদ্য, ওষুধসহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহ তদারকির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি সরবরাহ জোরদার করতে সরকারকে সরাসরি জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য ক্রয়ের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
সরকারি এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ফিলিপিন্সের কাছে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি