নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…
মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জুলাই আন্দোলনের সময়ের আরও দুটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুই মামলায় পরে সাবেক বিচারপতির জামিন আবেদন করা হলে তা আদালত নাকচ করে দেয়। এর আগে গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডি এলাকায় তার বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করা হয়। তখন তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের ছিল এবং সেই মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ায় হাই কোর্টে পৃথকভাবে পাঁচটি জামিন আবেদন করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর হাই কোর্ট এসব জামিন আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষ করে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি প্রদান করে।
এই ঘটনার মধ্যেই তাকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার পৃথক দুই মামলাে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। যাত্রাবাড়ী থানার মামলা মাদ্রাসা ছাত্র মো. আরিফ নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুল হাসান ১০ মার্চ এ মামলায় গ্রেফতার আবেদন করেন। অন্যদিকে, আদাবর থানায় গার্মেন্ট কর্মী রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান।
আদালতে দুই মামলার শুনানিতে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। খায়রুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী মোনায়েম কবীর (শাহিন) জামিন চেয়ে আবেদন করেন, কিন্তু আদালত তা নাকচ করে দেন।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেয়, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করে। অবসরের পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং পরে কয়েক দফা পুনর্নিয়োগ করা হয়। ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর পরিবর্তনের মধ্যে তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au