উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রথম জয়ের ইতিহাস
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ নারী হকি দল। আন্তর্জাতিক হকি প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো জয় পেয়েছে তারা, যেখানে শুক্রবার…
মেলবোর্ন, ২৪ এপ্রিল- পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জয়ের দাবি করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং জানান, দলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভোটদানের হার ছিল ৯০ শতাংশেরও বেশি। ভোটের দিন রাতেই দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন ভারতীয় জনতা পার্টি-এর শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। সেই মূল্যায়নের পরই তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বিজেপি শুধু আসনসংখ্যাই বাড়াবে না, বরং জয়ী আসনগুলোর ব্যবধানও বাড়বে।
অমিত শাহ বলেন, মধ্যমগ্রামে তার রোড শোতে যে জনসমাগম হয়েছে, তা তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ছিল। তার ভাষায়, এই জনসমর্থনই নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হবে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে “ভয়মুক্ত ভোট” অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা অতীতের তুলনায় বড় পরিবর্তন।
তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সময়ে অনেক বিজেপি কর্মী ভয়ের কারণে প্রতিপক্ষ দল তৃণমূল কংগ্রেস-এর পতাকা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতেন। এবার সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছে মানুষ, যার প্রতিফলন ভোটের ফলাফলে দেখা যাবে বলে মনে করেন তিনি।
গত পাঁচ বছরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানবিরোধী মনোভাব তুঙ্গে পৌঁছেছে এবং নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।”
এদিকে ক্ষমতায় এলে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরেন অমিত শাহ। তিনি জানান, বিজেপি সরকার গঠন করলে নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক সুবিধা, বিশেষ করে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। মালদহের আমসহ কৃষিপণ্যের বৈজ্ঞানিক চাষাবাদের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ক্ষমতায় এলে এসব অভিযোগ তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
সিন্ডিকেট প্রথা বন্ধ করা, ভূমি দখলমুক্ত করা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার মতো বিষয়গুলোও তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে।
প্রথম দফার ভোটের পরই এমন আত্মবিশ্বাসী দাবি রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, পরবর্তী দফাগুলো শেষে এই পূর্বাভাস কতটা বাস্তবতায় রূপ নেয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au