সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- দেশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই আরেক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। শনিবার সকালে এরফান কিয়ানি নামের এক ব্যক্তির সাজা কার্যকর করা হয়, যাকে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর হয়ে কাজ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখার পরই এই দণ্ড কার্যকর করা হয়। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফার্স ও তাসনিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় এরফান কিয়ানি ‘অগ্নিসংযোগ, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড এবং বিদেশি শক্তির পক্ষে কাজ করার’ মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তদন্ত শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।
তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ইরানে সাম্প্রতিক এই অস্থিরতার সূত্রপাত হয় গত বছরের ডিসেম্বরে, যখন দেশটির মুদ্রার মানে রেকর্ড পতন ঘটে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। পরিস্থিতি দ্রুতই রাজনৈতিক বিক্ষোভে রূপ নেয় এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নেয় ইরানি কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংস দমন-পীড়নে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যদিও এ ধরনের সংখ্যার বিষয়ে সরকারিভাবে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিতে পারে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au