এসএসসির ৪র্থ দিনে অনুপস্থিত ৩২ হাজার, বহিষ্কার ৪৯ জন
মেলবোর্ন, ২৯ এপ্রিল- সারা দেশে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার চতুর্থ দিনে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়িয়েছে, একই সঙ্গে নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বহিষ্কার করা…
মেলবোর্ন, ২৯ এপ্রিল- তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রায় ছয় দশক ধরে সংগঠনটির সদস্য থাকার পর দেশটি এই সিদ্ধান্ত জানায়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পরিবর্তনশীল জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে তারা ওপেক থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির মতে, এই পদক্ষেপ তাদের জ্বালানি নীতি নির্ধারণে আরও বেশি স্বাধীনতা ও নমনীয়তা দেবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ওপেক জোটের জন্য বড় ধাক্কা। এমএসটি ফাইন্যান্সিয়ালের জ্বালানি গবেষণা প্রধান সল কাভোনিক মন্তব্য করেন, এটি কার্যত “ওপেকের শেষ অধ্যায়ের শুরু” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তার মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাত বেরিয়ে যাওয়ায় ওপেক তাদের উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১৫ শতাংশ হারাবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অনুগত সদস্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।
ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি বছরে প্রায় ২৯ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। অন্যদিকে জোটের সবচেয়ে বড় উৎপাদক সৌদি আরব উৎপাদন করে প্রায় ৯০ লাখ ব্যারেল তেল।
বিশ্লেষক সল কাভোনিক আরও সতর্ক করে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ওপেকের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু সদস্য দেশ একই পথে হাঁটতে পারে।
তিনি বলেন, “এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।”
উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে ওপেকের সদস্য হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। ১৯৬০ সালে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা মিলে ওপেক গঠিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল তেল উৎপাদন সমন্বয়ের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর আয়ের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au