ধামরাইয়ের ৫২০ কেজির অষ্টধাতুর দুর্গাপ্রতিমা, হবে না বিসর্জন
ওটিএন বাংলা ডেস্ক: ঢাকার ধামরাইয়ের বণিকবাড়িতে ৫২০ কেজি ওজনের অষ্টধাতুর দুর্গাপ্রতিমার পূজা চলছে। আগামীকাল বুধবার পূজা শেষে এটি দেওয়া হবে না বিসর্জন। এটিই এখানকার রীতি।…
মেলবোর্ন, ৩০ এপ্রিল- তীব্র গরম, দাবানল ও শুষ্ক আবহাওয়ার এক গ্রীষ্ম পার করার পরও স্বস্তিতে নেই অস্ট্রেলিয়া। আবহাওয়া বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, সামনে আসতে পারে শক্তিশালী এমনকি “সুপার” এল নিনো, যা দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদারজোন জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে অস্বাভাবিক উষ্ণ পানির বিশাল স্তর তৈরি হয়েছে, যা এল নিনো গঠনের প্রধান ইঙ্গিত।
এদিকে ব্যুরো অব মেটিওরোলজি-ও সতর্ক করে বলেছে, এই বিরল আবহাওয়া প্রক্রিয়া প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমানে এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন অবস্থা নিরপেক্ষ থাকলেও, বৈশ্বিক পূর্বাভাস মডেলগুলোতে এল নিনোর সম্ভাবনা জোরালোভাবে উঠে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের ৫০ থেকে ২৫০ মিটার নিচে গড়ে ওঠা অতিরিক্ত উষ্ণ পানির স্তর শিগগিরই উপরে উঠে এলে এল নিনোর সূচনা হতে পারে। কিছু অঞ্চলে এই তাপমাত্রার অস্বাভাবিকতা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি।
বিশ্বের বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল একমত যে, ২০২৬-২০২৭ মৌসুমে সম্ভাব্য এল নিনোটি অত্যন্ত শক্তিশালী হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়ায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি তৈরি হলে খরা, তাপদাহ ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়বে, ফলে শীত মৌসুমেও স্বস্তি মিলবে না দেশটির মানুষের জন্য।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au