সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের বৃত্তি পেলেন শিক্ষার্থীরা
মেলবোর্ন, ৫ মে- হবিগঞ্জ শহরের এম সাইফুর রহমান টাউন হলে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত ‘বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫’ এর…
মেলবোর্ন, ৫ মে- ইরানকে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান(প্রজেক্ট ফ্রিডম) চলমান অবস্থায় মার্কিন জাহাজে হামলা হলে ইরানকে কঠিন পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন।
ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যা প্রয়োজন হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা সম্ভব।
ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ইরান শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। তবে তিনি একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে এই উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন দেশটিতে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের জন্য আকাশপথে সম্ভাব্য ঝুঁকির সতর্কতা জারি করেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমিরাতের জন্য বিদ্যমান ভ্রমণ সতর্কতা এখনো তৃতীয় স্তরে রয়েছে, যার অর্থ সেখানে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মার্কিন সরকারি কর্মীদের দেশটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যত চাপের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছে, যার লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, এই অভিযানের সময় ইরানের কয়েকটি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে, তবে তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মার্কিন জাহাজে হামলা হলে এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে। দেশটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে, তবে এর দায় তাদেরই নিতে হবে।
হরমুজ প্রণালির এই সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। ফলে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, ইরান থেকে ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তারা প্রতিহত করেছে। একই সঙ্গে একটি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার কারণে অগ্নিকাণ্ড ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে ইরান এসব হামলার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি।
এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে, তবে আপাতত সাধারণ মানুষের জন্য নতুন কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au