রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন,১১ মে- ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিতে ইসরায়েলের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটির সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। অভিযোগ উঠেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে ইসরায়েল গোপনে এই ঘাঁটি স্থাপন করেছিল। এক মেষপালকের নজরে বিষয়টি আসার পর পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা পরিচালনার জন্য যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন আগে ইসরায়েল এই ঘাঁটি তৈরি করে। যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে অবগত থাকলেও ইরাক সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘাঁটিটিতে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করতেন। এটি মূলত ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর রসদ সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি সেখানে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী ইউনিটও মোতায়েন ছিল, যাতে কোনো ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে দ্রুত পাইলটদের উদ্ধার করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে সামরিক অভিযান আরও কার্যকর করতেই গোপনে এই ঘাঁটি পরিচালনা করছিল তেল আবিব। এতে ইসরায়েলের জন্য ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি বিমান হামলা চালানো সহজ হয়।
ঘাঁটির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তদন্তে ইরাকি বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ইরাকের এক সেনাসদস্য নিহত এবং আরও দুইজন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আরও দুটি ইউনিট পাঠিয়ে তল্লাশি চালায় ইরাকি বাহিনী। তারা সেখানে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতির বিভিন্ন আলামত পেয়েছে বলে দাবি করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশাল ও জনবসতিহীন হওয়ায় পশ্চিম ইরাকের মরুভূমি দীর্ঘদিন ধরেই গোপন সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর আগে ১৯৯১ ও ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনবিরোধী অভিযানের সময়ও মার্কিন বাহিনী একই অঞ্চল ব্যবহার করেছিল।
সুত্রঃএনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au