বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
মেলবোর্ন, ২৭ মে- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে, যা নিয়ে নতুন…
মেলবোর্ন, ২৬ মে- নর্থ-ইস্ট ভিক্টোরিয়া পুলিশের বিশেষ তদন্ত অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভিক্টোরিয়া পুলিশ। ২০২৬ সালের মার্চে পুলিশের ওপর হামলায় মৃত্যুবরণ করা ডেজি ফ্রিম্যানের চলাচল ও তাকে সহায়তার সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার তদন্তের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ৪৮ ও ৩৫ বছর বয়সী দুইজন পুরুষকে পৃথক দুটি স্থান থেকে আটক করা হয়েছে। তারা ডেজি ফ্রিম্যানের পরিবারের সদস্য নন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি ভিক্টোরিয়া পুলিশ।
ঘটনার পটভূমিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের আগস্টে এক অভিযানের সময় পুলিশ সদস্য নীল থম্পসন ও ভাদিম দে ভার্ট-হটার্ট নিহত হন। ওই সময় পুলিশের একটি সার্চ ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গেলে ডেজি ফ্রিম্যান গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করেন। একই ঘটনায় আরেকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
এরপর সাত মাস পলাতক থাকার পর ২০২৬ সালের মার্চে পুলিশের অভিযানে ফ্রিম্যান নিহত হন। তার মৃত্যুর পর থেকেই তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক অবস্থায় তাকে কে বা কারা সহায়তা করেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ফ্রিম্যানের শেষ সময়ের গতিবিধি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে আদালতের শুনানিতে। শুনানিতে বলা হয়, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দারা তথ্য পান যে তিনি আলবুরির কাছাকাছি থলোগোলং নামের একটি এলাকায় একটি সম্পত্তিতে লুকিয়ে ছিলেন। ওই স্থানটি তার শেষ অবস্থানগুলোর একটি হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্রিম্যানকে ঘিরে তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি এমন একটি মতাদর্শিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যাদের “সোভারেইন সিটিজেন” বলা হয়। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ার সরকার, আদালত ও আইনব্যবস্থাকে বৈধ মনে করেন না এবং নিজেদের কোনো রাষ্ট্রীয় আইনের আওতাভুক্ত বলে স্বীকার করেন না।
তবে আইন অমান্যকারী অবস্থান থাকলেও ফ্রিম্যান দীর্ঘদিন সরকারি কল্যাণ ভাতার সুবিধাভোগী ছিলেন এবং নিয়মিত প্রতিবন্ধী ভাতা গ্রহণ করতেন।
২০১২ সালে মাইর্টলফোর্ড ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বাইরে একটি বিক্ষোভে তাকে আটক করা হয়, যেখানে তথাকথিত “সোভারেইন সিটিজেন” গোষ্ঠী সাবেক প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে মামলা করার চেষ্টা করেছিল। ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ তাকে মাটিতে ফেলে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে তিনি একটি ম্যাজিস্ট্রেটকে গ্রেপ্তারের ব্যর্থ চেষ্টা চালান, যেখানে “ভুয়া আইনগত প্রক্রিয়া” ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার আদালত এখন পৃথকভাবে দুইটি তদন্ত চালাচ্ছে। একটি তদন্তে ২০২৫ সালে পোরেপানকা এলাকায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অন্যটি ফ্রিম্যানকে নিয়ে ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সংঘর্ষের ঘটনা বিশ্লেষণ করছে।
সূত্রঃ নিউজ এবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au