বাংলাদেশ

জাতির পিতার ওপর প্রতিশোধের রাজনীতি, স্মৃতি মুছে ফেলার নীলনকশা 

মতামত- সরদার সেলিম রেজা

  • 3:52 pm - May 27, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৬৭ বার
জাতির পিতার ওপর প্রতিশোধের রাজনীতি, স্মৃতি মুছে ফেলার নীলনকশা। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৭ মে- বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দীর্ঘ কারাভোগ, নির্যাতন ও সংগ্রামের পর তিনি ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশের স্বাধীনতা এনে দেন। তাঁর ডাকেই কোটি মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। তাঁর নামেই শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। তাঁর ৭ মার্চের ভাষণই হয়ে উঠেছিল স্বাধীনতার দলিল। সেই মানুষটির নাম, আদর্শ, স্মৃতি আজ মেটিকুলাস ডিজাইনের শিকার।

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর ৫ আগস্টের পর যে রাজনৈতিক পট বদল হলো, তার প্রথম কাজই হলো বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ম্যুরাল, ভাস্কর্য ভাঙচুর করা। আগুন দেওয়া হলো তাঁর ছবিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ, টিএসির দেয়ালে টাঙানো তাঁর ছবির ওপর জুতার নিক্ষেপ করা হলো। খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ছবি নষ্ট করা হলো। এটা শুধু ছবি ভাঙা নয়, এটা ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা। যে জাতি নিজের ইতিহাস মুছে ফেলে, সে জাতি নিজের ভবিষ্যৎ হারায়।

বঙ্গবন্ধুর নামে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রথম আঘাতের শিকার হলো। শেখ মুজিবুর রহমানের নামে থাকা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হলো। গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় এসেন্সিয়াল ড্রাগসের অফিস থেকে তাঁর ছবি মুছে ফেলা হলো। সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সমিতি থেকে তাঁর নাম মুছে দেওয়া হলো। শাহবাগে বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদের নাম পরিবর্তন করে জামাত-শিবিরের ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদ নাম দেওয়া হলো। এটা শুধু নাম বদল নয়, এটা পরিচয় বদলের রাজনীতি।

গোপালগঞ্জ, যেখানে বঙ্গবন্ধু জন্মেছিলেন, সেই মাটিতেও হাত পড়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো অবহেলায় পড়ে আছে। যে মাটি তাঁকে জন্ম দিয়েছে, সেই মাটিকেই অপমান করার চেষ্টা চলছে। তাঁর পরিবারের নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। এত আক্রোশ কেন? উত্তর একটাই—এটা পরাজিত শক্তির প্রতিশোধ। ১৯৭১ সালে যারা পরাজিত হয়েছিল, যারা পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, আজ তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

ইউনুসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ক্ষমতা নেওয়ার পর ইসলামি জাগরণের নামে শুরু করেছে ভণ্ডামি। ধর্মের নাম ব্যবহার করে ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ—সবকিছুকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দুর্বল হবে, এই হিসাবেই কাজ চলছে। কিন্তু ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস বেঁচে থাকে মানুষের স্মৃতিতে, মাটির প্রতিটি ধূলিকণায়।

৫ আগস্টের পর শুধু বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিই ভাঙা হয়নি, ভাঙা হয়েছে তাঁর আদর্শকেও। শেখ মুজিব মানে ছিল শোষিতের পক্ষে দাঁড়ানো, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায় করা, কৃষক-শ্রমিকের মুখে হাসি ফোটানো। সেই আদর্শের জায়গায় বসানো হয়েছে মব ভায়োলেন্স, লুটপাট, প্রতিহিংসা। দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ মিথ্যা মামলায় জেলে। শিল্পী, লেখক, শিক্ষক, সাংবাদিক—কেউ রেহাই পায়নি। দুই হাজারের বেশি শিল্পী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সংস্কৃতি চর্চার মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এটা শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটা জাতির আত্মার ওপর আঘাত।

অর্থনীতির হালও একই। শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে, বিনিয়োগ স্থবির হয়েছে, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে। কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম পায়নি, ব্যবসায়ী দোকান খুলতে ভয় পেয়েছে। অথচ এই সময়ে প্রশাসনের অগ্রাধিকার ছিল বিদেশি প্রভুদের খুশি করা এবং দেশবিরোধী চক্রকে পুনর্বাসন করা।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির নামে যে সমঝোতা সই হলো, তাতে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা পায়নি। শুল্ক ছাড়, কৃষি পণ্য আমদানির শর্ত শিথিল, শ্রম আইনে বাইরের চাপ মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা জুড়ে দেওয়া হলো। দেশীয় বস্ত্র, চামড়া, কৃষিপণ্যের উদ্যোক্তারা পড়লেন সংকটে। এটা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটা একপাক্ষিক বাজার খুলে দেওয়ার দলিল।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির খসড়ায় বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়, যৌথ মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়—সবকিছুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রাখা হলো। স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা খর্ব হলো। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি যদি অন্য দেশের টেবিলে নির্ধারিত হয়, তবে সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা শুধু কাগজে থাকে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় সেন্টমার্টিন দ্বীপকে ঘিরে। বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই সময়ে সেন্টমার্টিনে বিদেশি সামরিক উপস্থিতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বীপটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব যে টেবিলে উঠেছে, তা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা, মৎস্যসম্পদ ও ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। সেন্টমার্টিন শুধু একটি দ্বীপ নয়, এটি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণের প্রতীক। এখানে বিদেশি ঘাঁটি মানে সমুদ্রসীমায় আমাদের কর্তৃত্ব হারানো।

এর পাশাপাশি শুরু হয়েছে ১৯৭২ সালের সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, জাতীয়তাবাদী চেতনা—সবকিছুই প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে। যে সংবিধান বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রক্তের বিনিময়ে রচিত হয়েছিল, সেই সংবিধানকে দুর্বল করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। সংবিধান বদলের কথা বলা হচ্ছে গণতন্ত্রের নামে, কিন্তু বাস্তবে এটা দেশের ঐতিহাসিক ভিত্তি উপড়ে ফেলার চক্রান্ত।

শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়েছিল। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সবই হয়েছে দেশের মানুষের টাকায়, দেশের সিদ্ধান্তে। বৈদেশিক ঋণের ফাঁদে না পড়ে নিজস্ব সক্ষমতায় উন্নয়ন হচ্ছিল। সেই ধারা ভেঙে দিয়ে বর্তমান প্রশাসন দেশকে আবার ঋণ, শর্ত আর বিদেশি হস্তক্ষেপের চক্রে ফেলে দিল।

এসব কিছুই আকস্মিক নয়। এটা ছিল পরিকল্পিত। দেশবিরোধী চক্র, বিদেশি লবি আর ক্ষমতালোভী একটি গোষ্ঠী মিলে বাংলাদেশকে দুর্বল করার নকশা করেছে। আর সেই নকশার বাস্তবায়নকারী হিসেবে কাজ করেছেন সুদি ইউনুস। যিনি দেশের মানুষের রক্ত চুষে সুদ ব্যবসা করে ধনী হয়েছেন, তাঁর কাছে দেশপ্রেম আশা করা যায় না। তাঁর বক্তব্য, চুক্তি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—সবকিছুতেই বাংলাদেশের স্বার্থের চেয়ে বিদেশি এজেন্ডা প্রাধান্য পেয়েছে।

ইতিহাস সাক্ষী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন লড়েছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা সেই স্বাধীনতাকে অর্থনৈতিক মুক্তিতে রূপ দিতে চেয়েছেন। পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করে দেখিয়েছেন, বাংলাদেশ কারও করুণার পাত্র নয়। সেই ধারাকে ভেঙে দিয়ে দেশকে আবার পরাধীনতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রের কাজ জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু যখন রাষ্ট্র নিজেই গোলামীর চুক্তি সই করে, বিদেশি ঘাঁটির কথা ভাবে, সংবিধান বদলের খেলায় মাতে, তখন তাকে রাষ্ট্র বলা যায় না। সেটা হয়ে যায় দখলদার বাহিনীর স্থানীয় কার্যালয়। রক্ত চোষা প্রশাসন জনগণের ভোটে আসেনি, জনগণের কাছে জবাবদিহিও নেই।

সরদার সেলিম রেজা। ছবিঃ সংগৃহীত

আজকের বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে এক সন্ধিক্ষণে। একদিকে সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই, অন্যদিকে গোলামীর চুক্তি মেনে নেওয়ার চাপ। এই সময়ে নীরব থাকা মানে অপরাধের শরিক হওয়া। জাতির পিতার আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ১৯৭২ সালের সংবিধান—সবকিছুই এখন প্রশ্নের মুখে।

আমরা যেন ভুলে না যাই, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের, সমুদ্রসীমা আমাদের, সংবিধান আমাদের, স্বাধীনতা আমাদের রক্তে কেনা। যারা এগুলো বিক্রি করতে চায়, তারা দেশের বন্ধু নয়, তারা দেশের দুশমন।

ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু একটি নাম নন, তিনি একটি চেতনা। তিনি বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে মিশে আছেন। তাঁর ৭ মার্চের ভাষণ আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে বাজে। তাঁর জেলজীবনের দিনলিপি আজও তরুণদের সাহস জোগায়। তাঁর স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের।

আজকে যারা বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিচ্ছে, তারা জানে না, তিনি শুধু আওয়ামী লীগের নেতা নন। তিনি সমগ্র জাতির পিতা। মুক্তিযুদ্ধের নেতা। যে মুক্তিযুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই রক্ত দিয়েছে। তাঁর নাম মুছে ফেলার মানে হলো সেই রক্তকে অস্বীকার করা।

দেশের বাইরেও বঙ্গবন্ধুর নামে রাস্তা, স্কুল, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আছে। অথচ নিজের দেশে তাঁর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। এটা শুধু দুর্ভাগ্য নয়, এটা অপরাধ।

আমাদের কাজ এখন একটাই—ইতিহাস রক্ষা করা। বঙ্গবন্ধুর নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুদ্ধার করা। ভাঙা ম্যুরাল আবার গড়ে তোলা। পুড়ে যাওয়া ছবি আবার ছাপানো। শিশুদের পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ফিরিয়ে আনা। নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে, এই দেশ এমনি এমনি আসেনি। এই দেশের পেছনে আছে একজন মানুষের ত্যাগ, তিতিক্ষা, কারাভোগ, রক্ত।

শেখ হাসিনা যে ১৫ বছর দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, সেটা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ধারাবাহিকতা। সেই ধারাকে ভেঙে দিয়ে দেশকে আবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইতিহাস ঘুরে দাঁড়ায়। যে শক্তি আজ বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলছে, কাল ইতিহাসই তাদের মুছে দেবে।

বাংলাদেশের জন্ম বঙ্গবন্ধুর হাতে। তাঁর নাম ছাড়া বাংলাদেশ অসম্পূর্ণ। তাঁকে অপমান করার মানে হলো বাংলাদেশকে অপমান করা। তাঁর স্মৃতি মুছে ফেলার মানে হলো নিজের পরিচয় মুছে ফেলা।

আমরা যেন ভুলে না যাই, জয় বাংলা শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি একটি শপথ। সেই শপথ রক্ষা করাই এখন আমাদের দায়িত্ব। বঙ্গবন্ধুর নাম থাকবে, থাকবে তাঁর আদর্শ, থাকবে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

লেখকঃ সরদার সেলিম রেজা,  কবি ও পরিবেশ কর্মী; প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,  বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র।

এই শাখার আরও খবর

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কর্ণফুলীতে নৌকাডুবি: খোঁজ মিলছে না নববধূ কনিকা দাসের

মেলবোর্ন, ২৮ মে-  চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় কনিকা দাশ (১৯) নামে এক নববধূ নিখোঁজ হয়েছেন। তবে স্থানীয় চার…

পহেলা জুন রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হবে: আইনমন্ত্রী

মেলবোর্ন, ২৮ মে- রাজধানীর মিরপুরে আলোচিত রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার আগামী ১ জুন থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো….

বিশ্বকাপের আগে সরানো হচ্ছে মেসির ৭০ ফুট ভাস্কর্য

মেলবোর্ন, ২৮ মে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় স্থাপিত আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু বিশাল ভাস্কর্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয়…

টানা এক সপ্তাহ গুহায় আটকা থাকার পর জীবিত উদ্ধার ৫ গ্রামবাসী

মেলবোর্ন, ২৮ মে- প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে গুহার ভেতরে এক সপ্তাহ ধরে আটকা পড়ে থাকার পর লাওসে পাঁচ গ্রামবাসীকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা। তবে…

কোরবানির হাটে আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ ফিরল খামারে, হস্তক্ষেপ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেলবোর্ন, ২৭ মে- কোরবানির হাটে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া অ্যালবিনো জাতের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ শেষ পর্যন্ত আর ক্রেতার বাড়ি যাওয়া হলো না। জনসমাগম ও সম্ভাব্য…

‘টিন হোল্ডারদের মধ্যে ইনকাম ট্যাক্স দেয় না ৭২ লাখ মানুষ’

মেলবোর্ন, ২৭ মে- বাংলাদেশে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)ধারীর সংখ্যা বাড়লেও আয়কর দিচ্ছেন না বিপুলসংখ্যক মানুষ। কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে এক…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au