সুইস রেলস্টেশনে ছুরিকাঘাতের তাণ্ডব, আতঙ্কে যাত্রীরা
মেলবোর্ন, ২৮ মে- সুইজারল্যান্ডের একটি ব্যস্ত রেলস্টেশনে ছুরি হাতে হামলা চালিয়ে অন্তত তিনজনকে আহত করেছে এক ব্যক্তি। হামলার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার…
মেলবোর্ন, ২৮ মে- হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের ড্রোন নিক্ষেপের জবাব হিসেবেই বন্দর আব্বাসে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হওয়ায় আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বুধবার রাতে ইরানের চারটি সামরিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। একই সময় হরমুজ প্রণালির তীরে অবস্থিত বন্দর শহর বন্দর আব্বাসে একটি বিশেষ ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়। মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, সেখান থেকে আরও একটি ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনীর পদক্ষেপ ছিল ‘পরিমিত, নিয়ন্ত্রিত এবং সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক’, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিরাপদ রাখা।
অন্যদিকে ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। ইরানের দাবি, জাহাজটিকে পিছু হটতে বাধ্য করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তাসনিম আরও জানিয়েছে, ওই ট্যাংকারের আগে আরও চারটি বিদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে সতর্কতামূলক গুলিবর্ষণের পর সেগুলো ফিরে যায়।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগও বাড়ছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় আইআরজিসি। এরপর থেকে একাধিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ওঠে, যাতে কয়েকজন বিদেশি নাবিকও নিহত হন।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন বন্দর অবরোধ করে। এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজ থেকে টোল আদায়ের আইন পাস করে ইরানের পার্লামেন্ট, যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর দাবি, আন্তর্জাতিক জলপথে একক নিয়ন্ত্রণ আরোপ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের পরিপন্থী।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au